বিপর্যয় থেকে আশ্রয় পেয়েছেন মানুষ
স জ ক আটক পড় ৪২১ জনক – সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন পর্যটক এবং গৃহিণীদের খাগড়াছড়িতে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত কয়েক দিনের মতো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু এবং বিলাইছড়ি সহ কয়েকটি উপজেলার নিম্নভূমি অঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। আবহাওয়া কারণে পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন সড়ক ও নদীপার প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দুর্ভোগের মাত্রা আরও বৃদ্ধি করেছে। সাজেকে আটকে পড়া মানুষদের আশ্রয় প্রদানের জন্য সেনা ও পুলিশের একটি সামুদ্রিক সমন্বয় করা হয়েছে, যা মানুষদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
আশ্রয় কেন্দ্রগুলো সক্রিয়
এই দুর্যোগের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ জন মানুষ এবং অন্যান্য গ্রাস্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সংগ্রহ করা হচ্ছে। সাজেকে আটকে পড়া আরও দেড় শতাধিক পর্যটককে বাঘাইছড়ি থেকে সেনাবাহিনীর সহযোগে খাগড়াছড়িতে নিয়ে আনা হয়েছে। এই অবস্থায় সেনা ও পুলিশের একটি জাতীয় টিম কাজ করছে, যারা মানুষদের খাবার এবং চিকিত্সা সামগ্রী প্রদান করছেন। বাঘাইছড়ি উপজেলার কিছু অংশে সাজেকে আটকে পড়া মানুষের উপর প্রতিক্রিয়া চালু করা হয়েছে এবং আশ্রয় কেন্দ্রগুলো চালু করেছে এক হাজার প্রায় মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
সাজেকে আটকে পড়া মানুষের মধ্যে চাকমা ব্যক্তি একজন মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার নদী পার হতে গিয়ে ভেসে যায়। এই বিপর্যয় হতে অনেক গৃহিণী এবং মানুষ আশ্রয় পেয়েছেন, যারা পরে পুনর্বাসনের জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
রাস্তা বন্ধ ও বাস্তু সংকট
বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী ও পৌর এলাকার উগলছড়ি সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। সাজেকে আটকে পড়া ব্যক্তি দের আশ্রয় গ্রহণের জন্য সামন্তরিক অবস্থায় গাড়ি ও জাহাজের প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি কারণে বাস্তু কাজগুলো আরও চালু করা হচ্ছে এবং সাজেকে আটকে পড়া মানুষদের সহায়তার জন্য প্রতিটি উপজেলার সাথে সামন্তরিক সমন্বয় করা হয়েছে।
