শরীয়তপুরের জাজিরা: ১২ শ কোটির তীর রক্ষা প্রকল্পে ভাঙন, আতঙ্ক
Table of Contents
জাজিরা তীর রক্ষা প্রকল্পে নতুন ভাঙন, নদীপাড়ের মানুষের আতঙ্ক
Banglajibon.com – শর য়তপ র র জ জ র – শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকায় চলমান তীর রক্ষা প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনে প্রায় দুইশো মিটার দীর্ঘ অংশ পদ্মা নদীর জলরাশিতে হারিয়ে গেছে। এই ঘটনায় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও মানুষ
পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া, ফরাজীকান্দি এবং নাওডোবা ইউনিয়নের পৈলান মোল্যারকান্দি ও আলম খারকান্দি—এই পাঁচটি এলাকার মোট সাতটি দোকান নদীতে বিলীন হয়েছে। একই সাথে কাথুরিয়া-মাঝিরঘাট সড়কের প্রায় পঞ্চাশ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙনের কারণে ইতিমধ্যে পঁচিশটি পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে। আরও প্রায় তিনশো পরিবারের ঘরবাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে।
মালামালসহ আমার মুদিদোকানটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পদ্মার ভাঙনে আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার সকালে নদীর তীরে থাকা জিও ব্যাগ তলিয়ে যেতে শুরু করে এবং মাটিতে বড় বড় ফাটল দেখা দিতে থাকে। পরে এলাকায় মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করা হয়। এর পর থেকে অনেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ বসতভিটার গাছপালাও কেটে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন।
আমি একটি ঘর সরাতে পেরেছি, আরেকটি ঘর নদীতে তলিয়ে গেছে।
প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু এলাকার নাওডোবা মাঝিরঘাট থেকে ভাটিতে জাজিরা ইউনিয়নের পাথালিয়াকান্দি পর্যন্ত পদ্মার ডান তীরে দশ দশমিক ছয় কিলোমিটার এলাকার তীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ চলছে। ত্রিশ নয়টি প্যাকেজে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার দুইশো দুই কোটি টাকা।
২০২৪ সালের মার্চে পূর্ব নাওডোবার জিরো পয়েন্ট থেকে পাথালিয়াকান্দি পর্যন্ত আট দশমিক ছয় কিলোমিটার অংশে কাজ শুরু হয়। ২০২৫ সালে প্রকল্পের একটি অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ার পর মাঝিরঘাট জিরো পয়েন্ট থেকে উজানে আরও দুই কিলোমিটার এলাকা প্রকল্পের আওতায় যুক্ত করা হয়। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত।
সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে প্রকল্পের কাজ চলছে, জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও ক্লক স্থাপনের কাজও হচ্ছে। এর মধ্যেই আবার ভাঙন শুরু হয়েছে।
পাউবো জানায়, প্রকল্পের প্রায় পঞ্চাশ পাঁচ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি অংশে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছিল। তবে বর্ষা মৌসুমে পদ্মার পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ার কারণে বর্তমানে স্থায়ী কাজের কিছু অংশ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত কংক্রিটের ব্লক তৈরির কাজ চলছে।
প্রকল্পের ১২ নম্বর প্যাকেজ এলাকার হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু করা হয়েছে। এতে আপাতত ভাঙন বন্ধ রয়েছে।
বর্তমানে ভাঙন ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান জানান, হঠাৎ ভাঙন শুরু হওয়ার পরপরই জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু করা হয়েছে। এতে আপাতত ভাঙন বন্ধ রয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is শর য়তপ র র জ জ র?
শর য়তপ র র জ জ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does শর য়তপ র র জ জ র matter?
শর য়তপ র র জ জ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
