Bangladesh

রংপুরের গঙ্গাচড়া: মাদ্রাসার জমি ‘বন্ধক’ বিপুল টাকা লোপাট

Foto : James Anderson - banglajibon.com
Table of Contents
  1. গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার জমি নিয়ে বিতর্ক: বন্ধক ও আত্মসাৎয়ের অভিযোগ
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার জমি নিয়ে বিতর্ক: বন্ধক ও আত্মসাৎয়ের অভিযোগ

Banglajibon.com – র প র র গঙ গ চড় – রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার জমি নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও জমি ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা হয়নি বলে জানা যাচ্ছে।

অভিযুক্ত নেতাদের পরিচয় ও অভিযোগ

অভিযুক্ত ব্যক্তি দুইজন হলেন মো. শহীদুল ইসলাম মুন্সি এবং মাহমুদুল ইসলাম সবুজ। শহীদুল ইসলাম মুন্সি উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, মাহমুদুল ইসলাম সবুজ ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সাল থেকে শহীদুল ইসলাম মুন্সি মাদ্রাসার পরিচালনায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তিনি শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন, বিভিন্ন তহবিলের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৬ বিঘা জমি বন্ধক রেখে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লুট করেছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাহমুদুল ইসলাম সবুজও মাদ্রাসার ১৮ শতক জমি জোরপূর্বক ভোগদখল করে আছেন।

তদন্ত কমিটির কার্যক্রম

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১ জুন গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহফুজার রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ৯ জুন বাদী-বিবাদীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরেজমিন তদন্তে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সাক্ষীসহ উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়।

তবে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনোয়ারুল ইসলাম অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তদন্ত এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাদ্রাসার জমি আবাদকারী একাধিক ব্যক্তি জানান, অভিযুক্তদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকে কমিটির কাছে কথা বলতে চান না।

পক্ষগুলোর বক্তব্য

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন,

আমি তিন মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছি। দায়িত্ব গ্রহণের সময় জমিসংক্রান্ত কোনো নথি আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। চূড়ান্ত কমিটি না হওয়া পর্যন্ত কাগজপত্র দেখাতে পারছি না।

অভিযুক্ত মাহমুদুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, শহীদুল ইসলাম মুন্সি বলেন,

মাদ্রাসার কোনো জমি বন্ধক দেওয়া হয়নি। সব জমি নিয়ম অনুযায়ী বর্গা দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিবছর বর্গার অর্থ প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা হয়।

তিনি আরও যোগ করেন,

৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত কারণে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের পরবর্তী ধাপ

তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. মো. মাহফুজার রহমান জানান, আরও কিছু দাপ্তরিক নথি সংগ্রহের পর তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হবে। ইউএনও জেসমীন আক্তার বলেন, তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় কিছু নথি তাদের দেওয়া হয়নি। তাই প্রাপ্ত তথ্য ও নথির ভিত্তিতেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। জমা দেওয়ার পর অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Frequently Asked Questions

What is র প র র গঙ গ চড়?

র প র র গঙ গ চড় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does র প র র গঙ গ চড় matter?

র প র র গঙ গ চড় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment