মাগুরার শ্রীপুরে হামলার পর মৃত্যু ঘটেছে আমিরুল মোল্যার
ম গ র র শ র প – মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে সংঘটিত হামলার ফলে আমিরুল মোল্যা (৫০) গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। ঘটনার খবর গ্রামে পৌঁছানোর পর অন্তত ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। মাগুরার শ্রীপুর এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশিল হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
হামলার প্রতিবেশী সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী আমিরুল মোল্যার সঙ্গে প্রতিবেশীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। তিনি কিছু আবেগপূর্ণ বিষয়ে মতবিরোধ রেখেছিলেন এবং এ ঘটনার আগে তার সাথে বিতর্ক চলছিল। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ হামলার ফলে আমাদের বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ঘটেছে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র ও গবাদিপশু লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মাগুরার শ্রীপুর সম্পর্কে কেউ এ ধরনের ঘটনা নিয়ে আগে থেকে চিন্তা করেছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য মোসলেম বিশ্বাস জানান, ঘটনার সময় ওই এলাকায় তাঁদের বাড়িসহ অন্তত ১০টি ঘর ভাঙচুরের শিকারি হয়েছে। তিনি বলেন, `মাগুরার শ্রীপুর এলাকার সামাজিক স্থিতিশৈলতা হামলার প্রতিক্রিয়ায় আরও প্রতিক্ষণে কমে আসছে। আমাদের সাথে এ ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।’
পুলিশের প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওলি মিয়া জানান, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সম্পর্কে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মাগুরার শ্রীপুর পুলিশ এলাকার চারপাশে নজর রাখছে এবং আরও তদন্ত চালানো হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। আমিরুল মোল্যার পরিবার তাকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তিনি ঢাকায় উদ্ধার করা হয়।
ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শ্যামলী ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মাগুরার শ্রীপুর এলাকার মানুষ ভয় পাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বেশি পরিকল্পিত করে এ পরিস্থিতি সম্পর্কে কথা বলছেন।
