ভাগনিকে শ্লীলতাহানির মামলায় ইসতি মেডিকেলের এমডির জামিন
ভ গন ক শ ল লত হ – গুলশান থানায় দায়ের করা ভাগনিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলায় ইসতি মেডিকেল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফয়সালের জামিন আবেদন গতকাল রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন মঞ্জুর করেন। আদালত তাকে পাঁচ লাখ টাকার মুচলেকায় আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।
জামিন প্রদানের সাথে তিনটি শর্ত আরও প্রদান করা হয়। আসামি তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, জামিনের অপব্যবহার করবেন না এবং বিদেশে যাওয়া সম্পর্কে আদালত নির্দেশ দেন। তবে গত ৩০ জুন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করার পর ফয়সালকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার প্রক্রিয়া ও অভিযোগের প্রতিক্রিয়া
গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর বাবা মামলা দায়ের করেন। তিনি বলেন, আসামি তার শ্যালক এবং তার তিন মেয়ের মধ্যে দুজন বিদেশে পড়াশোনা করছে। স্ত্রী মাঝে মাঝে বিদেশে যায় তাদের দেখাশোনা করার জন্য। ছোট মেয়ে একটি কোচিং সেন্টারে পড়াশোনা করে।
গত ২১ জুন মেয়েকে লাঞ্চ করার জন্য গুলশান থানাধীন কনকর্ড সিলভি হাইটস (৪র্থ তলা) ইসতি মেডিকেলে ফোন করে ওঠে। সে অফিসে যায় এবং লাঞ্চ করে। পরে বেলকনিতে নিয়ে ধূমপান করানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ওই রাতে মেয়েকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য গাড়িতে বের হয়। আসামি নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিল। পথিমধ্যে আমেরিকান ক্লাব রোডে গিয়ে মেয়েকে গাড়ি চালানো শেখানোর চেষ্টা করে।
আদালত মামলার অভিযোগে বলেন, বিষয়টি জানাজানি হলে পারিবারিকভাবে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, জমি-জমার বিরোধের কারণে এই মামলার উৎপত্তি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে শ্লীলতাহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
গত ১৭ এপ্রিল ভিকটিমের বড় বোনের বিয়ের দিন আসামি বাসায় আসতে গিয়ে ভিকটিম তাকে দেখে চিৎকার করে ওঠে এবং গালিগালাজ করে। এই ঘটনার পর বাদীসহ পরিবারের লোকজন জানতে পারে।
