স্বাভাবিক মৃত্যু বলে প্রচার, কাফনে রক্তের দাগ দেখে দাফনে বাধা
স ব ভ ব ক ম ত – রবিবার সকাল ৬টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর মোহাম্মদপুর এলাকার সুন্নিয়া মাদ্রাসা-সংলগ্ন বাসায় সিরাজউদ্দৌলা দুলাল (৭৫) এর মৃত্যু ঘটে। তাঁর স্বাক্ষরকারীরা ঘটনার প্রতি জানান যে তিনি দুই স্ত্রী দিয়েছিলেন—প্রথম স্ত্রী থেকে দুই মেয়ে পেয়েছিলেন যারা দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারও সাথে যোগাযোগ ছিল না। পরবর্তী বিয়েতে তিনি তাঁর মধ্যে স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
তাঁর লাশ শহর থেকে রাউজান উপজেলার পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ননা হাজী তালুকদার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। অ্যাম্বুলেন্সে লাশ আনা হলেও স্বজনরা প্রথমে মৃতদেহ গাড়ি থেকে নামাতে আপত্তি জানান। ঘরে নেওয়ার পর মাথায় আঘাত এবং রক্ত দেখে স্থানীয় বাসিনদের মধ্যে সন্দেহ জাগে।
স্বজনরা প্রথমে তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটেছে বলে প্রচার করেন। কিন্তু পুলিশকে খবর দেয়া হয় যে লাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। শেষ খবর পেয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য
সিরাজউদ্দৌলা দুলাল রাউজান গ্রামে বাস করতেন, কিন্তু প্রবাস জীবন শেষে গত ১০/১২ বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। তাঁর মৃত্যুর দুই দিন আগে তাঁর স্ত্রী জাহেদা বেগম (৬৫) বলেন, “আমার স্বামী স্ট্রোকে মারা গেছেন। তিনি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।”
“আমি মারা যাবার পরে এসেছি।” বলেন নিহতের মেয়ে জেনি আকতার।
রাউজান থানার উপ-পরিদর্শক সাদ্দাম হোসেন জানান, লাশের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “ধারণা করছি মাথায় কোপ দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।”
