ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রী দলবদ্ধ ধর্ষণে আসামি দণ্ডিত
ঠ ক রগ ওয় স ক লছ – ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বান্ধবী এলাকায় অবস্থিত একটি স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক আলী মনসুর রায় ঘোষণা করেন, যার মাধ্যমে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং তিন জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতে তাদের উপস্থিতিতে রায় প্রকাশ করা হয়, যেখানে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে পরিচালিত হয়। এ ঘটনার সংঘটন স্থান ও সময় নিয়ে বিশেষ তদন্নী করা হয়েছে।
ধর্ষণের ঘটনা ও প্রক্রিয়া
২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বান্ধবী বাসা থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও তিন জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন আসামিদের জরিমানা হিসেবে ২ লক্ষ টাকা করে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিদের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে চার্জ করা হয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিদের কাছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই অর্থ প্রদান করা হবে।
আসামিরা কে এবং তাদের স্থান
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির নাম হলো মো. আনিস রানা, মো. সাইফুল ইসলাম এবং মো. দুলাল। তাদের মধ্যে আনিস রানা পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালু। আসামিরা স্থানে স্থানে মুসলিমনগর এবং গোয়ালপাড়া এলাকায় বাস করেন। এই ঘটনার তিন দিন পর বুধবার (২৪ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৬ ধারার মাধ্যমে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করে সেই অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনা নিয়ে চিন্তা চিন্তা করেছেন এবং শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষ সচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাইছেন। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীদের জন্য আরও গুরুতর বিধিনিষেধ বিধায় আরও আরও আক্রমণ দূর কর
