টুঙ্গিপাড়ায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের গলদা চিংড়ির রেণু জব্দের পর অবমুক্ত
ট ঙ গ প ড় য় ১২ – টুঙ্গিপাড়ায় বাজারে বিশেষ মূল্য বহনকারী গলদা চিংড়ির রেণু জব্দ করে মৎস্য অধিদপ্তর। খবর দেওয়া হয়েছে যে স্থানীয় বাসিন্দারা সাহায্য করে সন্ধান করে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস থেকে গলদা চিংড়ির রেণু উদ্ধার করা হয়। এই রেণুগুলো মধুমতী নদীতে অবমুক্ত করে দেওয়া হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা। এই অপারেশনটি টুঙ্গিপাড়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, যেটি মৎস্য উৎপাদন ও বিপণন ক্ষেত্রে পরিবর্তন ঘটাবার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
গলদা চিংড়ির রেণু জব্দ করার প্রক্রিয়া
স্থানীয় খবরের ভিত্তিতে টুঙ্গিপাড়ায় আজ রোববার দুপুরে একটি গোপন অপারেশন চালানো হয়। উপজেলার পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করা হয়েছিল কালো রঙের মাইক্রোবাসটি। তল্লাশি প্রক্রিয়ায় সম্প্রতি আটক করা হয়েছিল ১২টি ড্রাম গলদা চিংড়ির রেণু। উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে যে মাইক্রোবাসটি পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডের টোল থেকে পৌঁছানোর পর স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেছিল। এটি সাধারণত কম সময়ের মধ্যে নদীতে রেণু ছেড়ে দেওয়া হয় যাতে গলদা চিংড়ির মূল্যবান জীব পুনর্জন্ম করতে পারে।
মৎস্য অধিদপ্তর তাদের অপারেশনের সংগঠন করেছিল দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সহযোগে। কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় এবং সহকারী কমিশনার আল আমিন হালদার এই অপারেশনে ভূমিকা পালন করেছেন। তারা বাসস্ট্যান্ডের পরিচালনার সময় বিশেষ যাচাই করেন। গলদা চিংড়ির রেণুগুলো কে কে মালিক হিসেবে খুঁজে পাওয়া হয়নি, তাই মাইক্রোবাসে থাকা অসীম তালুকদার নামের শ্রমিককে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এটি টুঙ্গিপাড়ার সামাজিক আন্দোলনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
টুঙ্গিপাড়া জেলার উপজেলা মৎস্য কার্যালয় এই অপারেশনে মূল্যবান গলদা চিংড়ির রেণুগুলো নদীতে অবমুক্ত করেছে। এই সাফল্যের প্রকৃত মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা রেণু জব্দের পর গলদা চিংড়ি বিপননের ক্ষেত্রে আরও আকর্ষণ জনাচ্ছেন।
গলদা চিংড়ির জন্য টুঙ্গিপাড়ার অর্থনৈতিক প্রভাব
টুঙ্গিপাড়ায় গলদ
