‘সব ই ভ ড ও করছ কেউ এগিয়ে আসেনি’
সব ই ভ ড ও করছ ল – ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘটে একটি সংকট প্রসঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান হারানোর কথা সুজন মিয়া বলেন। গত ২৭ মে নরসিংদী রেলস্টেশনে ঢাকাগামী আন্তনগর কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ধাক্কায় দুই লাশ এবং জীবিত সন্তান নিয়ে তিনি রেললাইন পার হতে হয়েছিল। তিনি এমন সময়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি, কেবল ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন সবাই।
কাঁধে ছিল স্ত্রীর এবং বুকে ছিল সন্তানের লাশ; অন্য হাতে ছিল আমার আরেক মেয়ে এবং শপিং ব্যাগ। কিন্তু সব ই ভ ড ও করছ লেখা যায় কেউ সাহায্য করেনি। এমন কী মানুষটি কি করে একা সে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছিল যেখানে সম্পূর্ণ অন্য কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছিল।
তার স্ত্রী ও সন্তানের লাশ কাঁধে করে যাওয়ার সময় মনে হয়েছিল এমন এক মানুষ সব ই ভ ড ও করছ লেখা যায় কেউ সাহায্য করেনি যে পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বস্তু বহন করছেন। হায় আল্লাহ, আমার কী সর্বনাশ হলো! যেখানে শপিং ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ছিল সেখানে ফিরতে হলো প্রিয়জনদের লাশ নিয়ে।
অনেক নেটিজেন দুর্ঘটনার স্থানে সব ই ভ ড ও করছ লেখা যায় কেউ এগিয়ে আসেনি হতে পারে এমন সময়ে আমার কী দুঃখ হলো এবং তা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু মন্তব্য অনুযায়ী, লোকটি সাহায্য না করে সব ই ভ ড ও করছ লেখা যায় মানুষের বিকৃত মানসিকতার পরিচয় ছিল।
সবাই ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকার কারণে সেই বিপর্যয়ে সম্পূর্ণ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি। কিছু মানুষ বলেছেন, এমন একজন মানুষও কি ছিল না যিনি তাকে সহায়তা করতে পারেন? এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে একটি আলোচনার সূত্র প্রদান করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে দুর্ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। কিন্তু তাদের মধ
