ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা
ঢ ক ট ঙ গ ইল মহাসড়কে যানবাহনের প্রবাহ সামান্য হলেও যাত্রীদের জন্য অপরিসীম কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই মহাসড়ক বিশেষ করে উদ্যাপন ব্যবস্থার কারণে সাধারণ সময়ে চার ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছিল, কিন্তু আজ সকাল থেকে বেশিরভাগ পথচারী প্রায় রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরিবহন খরচ বৃদ্ধির সাথে সাথে পথে যানজটের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে যে পরিমাণ যানবাহন মাত্র ৫ থেকে ১০ মিটার সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া এবং পরিস্থিতির স্বরূপ
যানজট চাপে নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদের সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হচ্ছে। অনেক যাত্রী ট্রাক বা পিকআপে যাত্রা করছেন যাতে সাধারণ যাতায়াত সম্ভব হয়। এই কষ্ট কারণে অনেকে পরিবহন সংকট সমাধানের জন্য আরও গুরুতর সমস্যা অনুভব করছেন। দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রতিদিন যানবাহনের গতি খুব ধীর হয়ে উঠেছে। বৃষ্টি পরিস্থিতি কারণে পথ কুপথিত হয়েছে এবং যাত্রীদের সামান্য সময়ে প্রবাহিত পরিমাণ যানবাহনের সাথে সাথে চলাচলে অসুবিধা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
“সকালে কারখানা ছুটির পরই বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়েছি। সাধারণ সময়ে চার ঘণ্টায় বাড়ি পৌঁছানো যায়। কিন্তু এখন সকালে বের হয়েও রাতে পৌঁছাতে পারবো কিনা জানি না। যানজট ও বৃষ্টি পরিবহন ভাড়া আদায়ের কারণে খুব কষ্ট হচ্ছে। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।”
পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ পরিস্থিতি
পরিবহন চালকদের বর্ণনা অনুযায়ী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ গমনের উদ্দেশ্যে যানবাহনের গতি খুব ধীর হয়ে পড়েছে। কয়েক ঘন্টার জন্য কোন জায়গায় থাকতে হয়েছে যাত্রীদের। নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম বলেন, “বৃষ্টির কারণে যানবাহনের গতি কমে গেছে। তার ফলে চাপ দ্বিগুণ হয়েছে। যানজট কমানো এবং চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য চন্দ্রা এলাকায় রাতে প্রায় ২৫০ পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।”
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট বিস্তারের কারণ হিসেবে আবহাওয়ার বৃদ্ধি এবং সাধারণ যাত্রীদের প্রবাহ দ্বিগুণ হওয়া আরও গুরুতর করে তুলেছে। প্রতিদিন চাপে রয়েছে যাত্রী দ্বারা অসুবিধার পরিমাণ যাতে মহাসড়ক বিভিন্ন জায়গায় স্থবির অবস্থা দেখা দিয়েছে। যাত্রীদের গুরুতর সমস্যা পরিস্থিতির সাথে সাথে আবহাওয়ার ভারসাম্য কারণে পরিবহন চাপ আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
এই যানজটের কারণে সাধারণ যাত্রীদের প্রতিদিনের জীবন গুরুতর হয�
