পলাশকে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি রিমান্ডে
শ র ষ সন ত র স – আজকের ব্যবস্থাপনা দ্বারা গুলির ঘটনায় জড়িত শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. ইমাম হোসেনকে হাতিরঝিল থানার পুলিশ গত শনিবার বিকেলে বাড্ডা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর কাছে গুরুতর সন্ত্রাসী হিসেবে কার্যকারিতা করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি মতে, হামলার ঘটনায় তিনি সুপুর্ণ সহায়তা করেন এবং শীর্ষ সন্ত্রাসীর কাছে গুলি করার পর তাঁকে মোটরসাইকেলে পালাতে সহায়তা করেন।
আদালতের রিমান্ড ও তদন্ত প্রক্রিয়া
গ্রেপ্তার ব্যক্তি রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং তিনি আজ রোববার আদালতে হাজির হন। আদালত তাঁকে ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুলির ঘটনার পর পুলিশ সুপুর্ণ তদন্ত করেছে এবং অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়টি তুলে ধরে আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়। এটি একটি গুরুতর ঘটনা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং শীর্ষ সন্ত্রাসীর কাছে সামগ্রিক অপারেশন চালানো হয়েছে।
পলাশের ঘটনার পরিস্থিতি
গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর রামপুরা টিভি সেন্টার-সংলগ্ন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন পলাশ। ঘটনার পর তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাঁর সহযোগীদের খুঁজে বার করার জন্য পুলিশ নির্দিষ্ট অঞ্চলে গুরুতর অপারেশন চালিয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রায় এক মাস আগে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান পলাশ। তিনি ২০০২ সালের ২৯ মে রামপুরায় যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ওই মামলায় বিচারিক আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও পরে উচ্চ আদালত সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এই সাজার পর থেকে পলাশ কিছুকাল বাইরে ছিলেন।
হামলার ঘটনার পর পুলিশ বিভিন্ন সূত্র থেকে তদন্ত করছে এবং শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগীদের শনাক্ত করার জন্য চালু করেছে সুপুর্ণ অভিযান। এই অপারেশনের মাধ্যমে গুরুতর সন্ত্রাসী জড়িত অন্যদের সাথে একটি সুষ্ঠু গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি একটি সুপুর্ণ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাঁর সহযোগীদের কাছে একটি সুপুর্ণ সংগঠন বিদ্যমান ছিল। এই সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে কিছু মাস ধরে সক্রিয় হামলা চালানো হয়েছে। পলাশকে গুলির ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত চালিয়ে অন্যদের কাছে দাবি করেছেন যে তিনি সহায়তা করেন।
আদালতে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসীকে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় জড়িত হিসেবে তিনি কারাগার
