শিক্ষায় দলীয়করণ বন্ধ ও ধর্মীয় শিক্ষা জোরদারের দাবি
জুলাই বিপ্লবোত্তর শিক্ষা সংস্কার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা
শ ক ষ য় দল য়করণ – সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি কোনো গুরুত্ব দেখায় নি, তার পরিবর্তে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা ও সব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষা অবশ্য অনুসরণ করা জরুরি বলে আলোচনা হয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজিত সেমিনারে এসব মতামত প্রকাশ করেন বক্তারা। সেমিনারে ভাষণ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের আগে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হাসান, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে শিক্ষক ড. ইলিয়াস মোল্লা এবং জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করছে, এখনও কোনো দেশে এমন অবস্থা দেখা যায় না। সরকার ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ করছে, বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর কোনো স্থানে এটা পাওয়া যায় না। ছাত্র রাজনৈতিক ঘটনার কারণে নোংরামি হচ্ছে, এটা ভারতেও পাওয়া যায় না।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, এ দেশে ধর্মীয় চেতনা জোগানো সরকার কর্তৃক কোনো ব্যর্থতা হয়নি। তিনি মানুষকে ধর্মহীন করার প্রয়াসের বিরুদ্ধে সতর্ক করেন। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রাচুর্য দেখা যাচ্ছে। তিনি কোটা না মেধার স্লোগান দিয়ে ছাত্রদের প্রতিক্রিয়া দেখায় নি।
যদি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে উপাচার্যদের নিয়ম অনুসরণ করা যায় না, তাহলে বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে। ছাত্ররা জীবন দিয়েছে কোটা না মেধার স্লোগানের বিপরীতে অত্যাচার হচ্ছে। ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেন সম্পাদক।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান অভিযোগ করেন, সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নের কাজ করছে না, তারা কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগের দিকে আগ্রহ প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, শিক্ষার ভিতরে কোরআন না থাকার কারণে সবাই জাহান্নামে যেতে হবে। কাজেই শিক্ষা জীবন থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ধর্মীয় শিক্ষকদের বরাবর প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে
