Bangladesh

মৃত্যুর দেড় মাস পর সৌদিপ্রবাসীর মরদেহ দেশে, স্বজনদের আহাজারি

মৃত্যুর দেড় মাস পর সৌদিপ্রবাসীর মরদেহ দেশে, স্বজনদের আহাজারি

ম ত য র দ ড় ম – মৃত্যুর দেড় মাস পর সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ফিরেছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের মধ্য ভাটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. তুহিনুজ্জামানের মরদেহ। তাঁর স্বজনদের হৃদয়ে এখনও তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছাপ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু এটি তাঁর স্বপ্ন পূরণের জন্য সম্পূর্ণ সমাপ্ত হয়নি। বাংলাদেশে বিদেশে কাজ করার সময় তিনি কীভাবে স্বাস্থ্য সংকট দূর করেছিলেন এবং কী ভাবে সংসার স্থাপন করেছিলেন, তা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

প্রাণ হারানোর পর বাড়িতে আসার পথ

প্রায় দুই বছর আগে হাইল শহরে স্থাপিত একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন মো. তুহিনুজ্জামান। সেই সময় তিনি কর্মস্থলে এসি রক্ষণাবেক্ষণের দৌর্দশ্চিত্যে জীবন হারিয়েছিলেন। সাত দিন বাংলাদেশের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন, কিন্তু সেই চিকিৎসা সফল হয়নি। দেশে ঈদুল আজহার আগের দিন সৌদি আরবে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় তাঁর পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রী ফরিদা খাতুন, আট বছর বয়সী মেয়ে তাকিয়া খাতুন তামান্না এবং দুই বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ আল তাওসীফ ছিলেন।

সৌদি আরব থেকে মরদেহ আনা প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ সময় স্থাপন করেছিল। তাঁর স্বজনদের আহাজারির জন্য বিমানবন্দরে অপেক্ষা করে চার দিন বোধকরি ছিল। একটি বিমানে যে প্রায় সাত দিন সময় নেয়, তার পর আজ সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছেছে। তাঁর স্ত্রী ফরিদা খাতুন সেই সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন।

“মানুষটি বলেছিল যে আর কয়েক বছর কষ্ট করলেই সংসারের সব অভাব দূর হবে। সন্তানদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়বে,” বলেন ফরিদা খাতুন।

পরিবারের অবদান ও সম্মান ছাড়া বিদেশে কাজ

মো. তুহিনুজ্জামান একজন কর্মী হিসেবে সৌদি আরবে বসতি করেছিলেন, যার মাধ্যমে তাঁর পরিবারের কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। তিনি কীভাবে কর্মস্থলে অবদান রেখেছিলেন, সে বিষয়ে বর্তমান গ্রামের বাসিন্দাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করতে পারেন। তাঁর মৃত্যু ঘটার পর স্বজন দেশে আসার জন্য বিশেষ প্রক্রিয়া পালন করেছে।

অনেকে বলছেন যে মৃত্যুর দেড় মাস পর সৌদি আরবে মরদেহ আনা একটি কৌতুহলের বিষয়। তিনি একটি বিপর্যস্ত কাজে নিয়োগ পেয

Leave a Comment