দ ই শ শ সন ত নক – গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে দুই শিশুসন্তান ও মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা
দ ই শ শ সন ত নক ঘটনার সংবাদ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে আবহমান পরিস্থিতির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবেদন অনুসারে, এক মহিলা তার দুই শিশুসন্তানকে বিষ পান করানোর পর নিজেও বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। স্বজনদের কাছে ঘটনা বিষয়ে জানানো হওয়ার পর শিশুদ্বয় ও মায়ের উদ্ধার করা হয় এবং তাদের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পরে শিশুদ্বয়ের অবস্থা ক্ষুদ্র আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সময় কীটনাশকের গন্ধ বিষয়ে প্রথম তথ্য প্রকাশ করা হয়, যার উপর ভিত্তি করে তদন্ত চলছে।
মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টার পেছনে কারণ বিশ্লেষণ
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা ঘটেছে যার পেছনে কারণের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ পরিচালিত হচ্ছে। মোবারক হোসেন নামে বাবা ও মনি আক্তার নামে মায়ের মধ্যে বিবাদের বিষয়ে গুরুতর অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে দেখা গেল যে দুই শিশুসন্তান ও মায়ের মুখে ফেনা বের হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসাবে বাড়ির মালিকের স্ত্রী মোহনা আক্তার বলেন, ঘটনার সময় তিনি স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সংঘটিত ঝগড়া ঝাঁটি বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দ ই শ শ সন ত ঘটনার পর কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে মায়ের মুখে বিষপানের চিহ্ন পাওয়া গেলে তিনি শিশুদ্বয় ও মায়ের উদ্ধার করেন।
চিকিৎসা ও বিষপানের প্রকৃতি বিশ্লেষণ
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বলরাম অনুযায়ী, দুই শিশুসন্তানের অবস্থা ক্ষুদ্র আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের স্থিতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তিনি বলেন, ঘটনার সময় কীটনাশকের গন্ধ পাওয়া হয়েছে যার ফলে শিশুদ্বয়ের শরীরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং ঘটনার পর বিষপানের প্রকৃতি নির্ধারণের জন্য সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দ ই শ শ সন ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া এবং বাড়িতে প্রাপ্ত প্রথম চিকিৎসা প্রক্রিয়া।
বাড়ির মালিকের স্ত্রী মনি আক্তার নামে মায়ের দুই শিশুসন্তান ও আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে। তিনি জানান যে ঘটনার সময় মায়ের স্বামী মোবারক হোসেন সামনে ছিলেন। দ ই শ শ সন ত ঘটনার পর স্বামী এবং শিশুদ্বয়ের অবস্থা খুব দুঃখজনক হয়ে উঠেছে।
