ভাইকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ, দুই প্রাণ নিভে গেল
ঈদের উৎসবে অংশ গ্রহণের জন্য দুই ভাই-বোন একাধিক বাড়িতে পরিব্রাজক হতে এসেছিল
ভ ইক ব চ ত প ন – ঈদের উৎসব চলাকালীন নানা বাড়িতে পরিব্রাজক হতে সফরে রওনা হয়েছিল রাসেল ও আদুরী দম্পতির মেয়ে রুশা মনি এবং ছেলে কাইফ। পরিবার নিয়ে প্রায় পাঁচটি বাড়িতে পরিব্রাজক হতে এসেছিল তাদের। কাপড় চোপড় বিতরণ, আনন্দময় সাংস্কৃতিক পরিবেশ এবং কারণে সময় কাটছিল তাদের। কিন্তু অপূর্ব আনন্দের মধ্যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু ঘটে যায়।
এই সফরের সময় মাঝে মাঝে পরিবার সঙ্গে খেলার সুযোগ পায় ছোট ভাই কাইফ। রংপুর নগরীর শিরিনপার্ক এলাকায় তাদের বাস। কিছু ঘণ্টার মধ্যে বাড়ির পাশে খেলার সময় বাড়িতে প্রায় পাঁচটি বাড়িতে পরিব্রাজক হতে এসেছিল তাদের। ভাইকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাদের স্থান বিতরণ করা হয়। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা ঘটে এবং দুই প্রাণ তাদের সঙ্গে বিদায় করে যায়।
খেলার সময় ঘটে গুরুতর দুর্ঘটনা
বুধবার দুপুরে রাসেল ও আদুরী দম্পতির ছেলে কাইফ গোটা পরিবার সঙ্গে গ্রামের বাড়ির পাশে খেলতে এসেছিল। তার ছোট ভাই কাইফ পানির গর্তে পড়ে যায় বৃষ্টির জলে। কাইফকে বাঁচাতে বড় বোন রুশা মনি পানিতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু সাঁতার জানা ছিল না বলে দুই প্রাণ তাদের সঙ্গে বিদায় করে যায়।
নাতি-নাতনির মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে মেঝেতে কান্নায় ভেঙে পড়েন নানি ছকিনা বেগম। বুকফাটা আর্তনাদ করে তিনি বলেন, ‘মোর সোনা দুইটার জন্যে মুই এত কষ্ট করি, এত কাপড়চোপড় কিনি আনুং। এই কাপড়চোপড় কায় নিবে?’
খবরটি পাওয়া মুহূর্তে রাসেল দম্পতি ছোট ভাই কাইফ ও বোন রুশা মনি তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষণ্ণ হয়ে পড়েন। স্থানীয় কিছু মানুষ বিষণ্ণ হয়ে পড়ে এবং আর্তনাদ করেন।
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দার প্রতিক্রিয়া
রংপুর নগরীর গ্রামবাসীদের সমাজ খবরটি গ্রহণ করে প্রতিক্রিয়া জানায়। শ্বশুরবাড়িতে কাপড় চোপড় বিতরণ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। সেই প্রতিক্রিয়া পানিতে ঝাঁপ দেয়ার ঘটনার চেয়ে আরও গুরুতর হয়। এই কাপড়
