নোয়াখালীর হাতিয়া: জোয়ার ও বৃষ্টির কারণে কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি
ন য় খ ল র হ ত – নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় সম্প্রতি স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত জমি ভাসিয়ে তুলেছে, যার ফলে ধান, মৌসুমি সবজি, ফল বাগান, মরিচ এবং পানের বরজ সহ প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জল শুকিয়ে যাওয়ার পর সবজি গাছ ধ্বংস হয়েছে, বীজতলার চারা প্রায় নুয়ে পড়ছে। এতে প্রায় ৮০ হাজার কৃষকের ক্ষতির আশঙ্কা উপজেলা কৃষি কার্যালয় থেকে প্রকাশ পেয়েছে।
গতকাল শনিবার চরকিং চরকৈলাশ গ্রামের কৃষক কামাল উদ্দিন ক্ষতিগ্রস্ত বীজতলা পরিচর্যা করতে দেখা যায়। তিনি জানান, ১০ দিন আগে আমনের বীজ বপন করেন। টানা বৃষ্টির কারণে বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। কৃষকের সম্প্রতি বীজতলার চারপাশে উঁচু বাঁধ দিয়ে জল বাইরে নিক্ষেপ করেছেন, কিন্তু তা থেকে বীজতলা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন তিনি ধান চাষ নিয়ে কোনও পরিকল্পনা তৈরি করছেন না, নতুন করে বীজ বপনের চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, আগে সবজি চাষ করেছিলেন এবং তার মূল্য বাজারে পাওয়া গেলে লাভ হয়। কিন্তু বৃষ্টি ও জোয়ারের কারণে সবজি খেত আর সাদা ছাড়া সাদা নয়। গাছগুলো মরে লাল হয়ে যাচ্ছে এবং কয়েক দিনের মধ্যে খেত পুরো ধ্বংস হয়ে যাবে। উপজেলার চরকিং ও চরঈশ্বর ইউনিয়নের সবজি চাষ খাতে এই অবস্থা অত্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের মতো।
অনেক কৃষক নিজেদের সহায়-সম্বল বিক্রি করে সবজি চাষ শুরু করেন। কিছু কৃষক এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সবজি চাষে নেমেছিলেন। চরঈশ্বর ইউনিয়নের পূর্ব গামছাখালী গ্রামটি সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত। এখানে কৃষকরা বছরের সময় সবজি খেত চাষ করেছেন। গত বুধবার বিকেলে কয়েক কৃষকের সঙ্গে দেখা হয় সবজিখেতে। এর মধ্যে মোতাহের হোসেন বলেন, তিনি এক একর জমি ঝিঙা চাষ করেছিলেন। বর্ষণের কারণে গাছ ধ্বংস হয়েছে এবং তার প্রায় দুই লাখ টাকার ব্যয় হয়েছে। সবজি বিক্রি করে এক টাকাও আয় করতে পারেননি।
“প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরবর্তী করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে আমরা একটি প্রতিবেদন জেলা কার্যালয়ে পাঠিয়েছি,” বলেন হা�
