Bangladesh

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে আবারও বাড়ল শেরপুরের নদ-নদীর পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Foto : Mary Taylor - banglajibon.com

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে শেরপুরে নদীগুলির পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

Banglajibon.com – প হ ড় ঢল ও ট ন – শেরপুর জেলায় পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টি বর্তমানে বিপর্যস্ত পরিস্থিতির কারণে বিস্তার লাভ করছে। মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিতে নদীগুলির পানি আবারও উন্নতি পেয়েছে। প্রভাবিত অঞ্চলগুলি হল চেল্লাখালী, ভোগাই ও মহারশি নদী। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে, যা বর্তমান সময়ে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে নিরাপত্তির দিকে।

নদীগুলির পানি বৃদ্ধির কারণ

গত রাতের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢল বিপর্যস্ত পরিস্থিতি ঘটায়। মহারশি, ভোগাই, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালী, ব্রহ্মপুত্র ও মৃগী নদীগুলির পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাড়তি জলপ্লাবনের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। আজ সোমবার বিকেলে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে, ভোগাই নদীর পানি এক দশমিক সেন্টিমিটার উপরে চলছে। বৃষ্টি সমাপ্ত হওয়ার পর পানি ধীরে ধীরে কমছে, কিন্তু এখনো কিছু স্থানে জল সংগ্রহ ঘটছে।

প্লাবনের প্রভাব

নালিতাবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া ও কলসপাড় ইউনিয়নে প্লাবনের পরিমাণ বেশ বৃহৎ। ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়নে মহারশি নদীর পানি ঢুকে আসছে, যা উপজেলা সদরে প্রবেশ করেছিল। পরে পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে, কিন্তু এখনো কিছু নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা অব্যাহত। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

চেল্লাখালী নদীতে পাহাড়ি ঢল নামায় নালিতাবাড়ী থেকে গাজীরখাম হয়ে শেরপুর সড়কের গোল্লারপাড় (বালুঘাটা) এলাকায় পানি উঠে যায়। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্তের মধ্যে প্রতিক্রিয়া পেয়েছে কিছু দুর্দান্ত ধরণে ক্ষতি। আজ পানি কমতে থাকায় হালকা যান চলাচল শুরু হয়েছে।

তদ্ব্যতীত, গত ২৪ ঘণ্টার টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে নদীগুলির পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শেরপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টি সমন্বয়ে নিম্নাঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে, যা স্থানীয় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি সম্পূর্ণ রাস্তা ও ঘরে ঘরে ক্ষতি ঘটাচ্ছে। অব্যাহত �

Leave a Comment