পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগ: দলীয় কোন্দল, পরিষদ গঠনে বিলম্ব
প র বত য মন ত র – রাঙামাটি জেলার পরিষদ গঠন বাকি থাকার কারণে দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের দাবিতে সেখানে আন্দোলন বা চাপ চলছে। এ সম্পর্কে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা ছিল দীর্ঘদিন দলের হাল ধরে রেখেছেন নেতাদের স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পদ পাওয়া উচিত। এ কারণে দীপন তালুকদার দীপু গ্রুপ পরামর্শ দিয়ে আসে কোনো প্রতিমন্ত্রীকে পরিষদের চেয়ারম্যান করার দাবি তোলে।
দীপেন দেওয়ান বৃহত্তর পরিষদ গঠনে বিলম্বের কারণে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে থেকে শুনা গেছে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঝে উঠে এসেছে তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি। এ সম্পর্কে আলোচনা চলছে বিএনপির ভেতরে অস্বাক্ষরিত দ্বন্দ্বের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদে বিকল্প কর্ম অব্যাহত রাখতে পারছেন না তিনি।
দীপন তালুকদার দীপু এবং তাঁর আপন বড় ভাই কাজল তালুকদার এক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের স্থানে স্থানীয় পরিষদ চেয়ারম্যান পদে চাপ বাড়িয়েছেন। দীপেন দেওয়ান অনুমান করেছিলেন বিলম্বের কারণ হল পরিবারতন্ত্রের প্রতিবাদ। তবে সাবেক মন্ত্রী নিজে এ নিয়ে অভিযোগ শেয়ার করেননি।
আপন বড় ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ
রাঙামাটির বৈসাবী উৎসবে দীপন তালুকদার গ্রুপ দীপেন দেওয়ানকে আমন্ত্রণ করেনি কারণ তিনি তাঁর ভাইয়ের কাছে কান ভারী করেছেন। বিএনপির এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয় কিছু সময় পর। পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি নিয়ে বিষয়টি উঠে এসেছে দীপু গ্রুপ এবং মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের মধ্যে। তবে দীপেন দেওয়ান নিজে এ নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
“আমি চেয়েছিলাম, কোনো জনগোষ্ঠী যেন বঞ্চিত না হয়। কারও সাথে যেন বৈষম্য না হয়।”
তাঁর সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতা বিএনপির উচ্চপর্যায়ে আগে থেকে বিলম্ব হয়েছিল। দীপেন দেওয়ান তিন জেলার পরিষদ গঠনের জন্য স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাপ দিয়েছিলেন এবং তাঁর পদত্যাগের কারণে বিএনপি একটি বলয় সৃষ্টি করেছে। তাঁর সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আবারও সক্ষমতার প্রতিযোগিতা চাপে থাকেন।
