পাবনায় বর্তমানে লিচু বাগানগুলোতে ফলন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে
প বন – পাবনা জেলার কৃষি ক্ষেত্রে এখন লিচুর ফলন নিয়ে উৎসুকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে আসবে দেশি জাতের লিচু, যার রং এখন ধীরে ধীরে উঠতে শুরু করেছে। অন্যান্য জাতের লিচু, যেমন বোম্বাই বা মোজাফফর, এখনো সবুজ অবস্থায় আছে। তারা আরও কয়েক দিন পর বাজারে উপস্থিত হবে।
পাবনা জেলায় গত মৌসুমের শুরুতে প্রচুর মুকুল দেখে চাষিরা খুশি হয়েছিলেন। তাঁদের আশা ছিল এবার ফলন দেখা যাবে। আবহাওয়া পরিস্থিতি ভালো ছিল, ফলে উৎপাদন হয়েছে সম্পূর্ণ। কিছু চাষি জানান যে গত বছর আশানুরূপ ফলন পেয়ার হয়নি।
পাবনায় লিচুর আবাদ প্রায় ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে হয়েছে। এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হাজার টন ধরা হয়েছে। গত বুধবার সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকার কয়েকটি বাগান ঘুরে দেখা হয়েছে। সেখানে দেশি জাতের লিচু গাছে গাছে রসাল হয়ে উঠছে। অন্যান্য বাগানে বোম্বাই বা মোজাফফর জাতের লিচু আরও কয়েক দিন পর বাজারে আসবে।
চাষির আশার দিকে কোনও সন্দেহ নেই
লিচু চাষি আব্দুর রজিম বলেন, মুকুল আসার পর থেকে তিনি সেচ, সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে গাছগুলোর যত্ন নিয়েছেন। তাঁর মতে এবার ফলন দেখে সবাই হাসি ফুটেছে। গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে এবার লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন।
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছিলাম ৩৫ হাজার টন। আবহাওয়া অনুকূল ছিল ফলে এবার তা ছাড়িয়ে গেছে। চাষিরা গাছের প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করেছেন যার ফলে এখন ফলন ৫০ হাজার টন আশা করা হচ্ছে।’
আরেক চাষি মহির উদ্দিন বলেন, পাবনা থেকে আসা লিচু সারা দেশে চাহিদা রয়েছে। এবার তিনি ৫০টি লিচু গাছ থেকে ২-৩ লাখ টাকার বিক্রির আশা করছেন।
