Bangladesh

বস্তার তালি ও মই: জান হাতে নিয়ে সেতু পার

সেতু পার হওয়ার কঠিন পথ

বস ত র ত ল ও মই – বস্তার তালি ও মই – ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও ফুলবাড়িয়া উপজেলার লাখো মানুষ বর্তমানে এই দুই সেতু দিয়ে যাতায়াত করছেন। পুরোনো বেইলি সেতু প্রায় ভেঙে গেছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তালি ও মই দিয়ে বালুভর্তি প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করছেন ক্ষত ঢাকতে। বিভিন্ন স্থানে পাটাতন সরে গেছে এবং সংযোগ সড়ক না থাকার কারণে কাঠ ও বাঁশের মই বেয়ে অনেকে নতুন সেতুতে উঠছেন। বস্তার তালি ও মই ব্যবহার করার প্রথম দিন থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে একটি অসাধারণ আন্দোলন জন্মাচ্ছে যে সেই সময়ে স্থায়ী পার্বন আরও উন্নত হতে পারে।

নির্মাণের অপূর্ণ অবস্থা

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এই সেতুটি প্রায় ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকার ব্যয়ে ২০২২ সালে নির্মাণ শুরু হয়। কাজটি পায় এমসিই-এমএলএম (জেভি) নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজ শেষ হওয়ার প্রত্যাশা ছিল আগস্ট মাসে বর্তমানে সেতু পার হওয়া অপেক্ষা করছে। জমি অধিগ্রহণের জটিলতা কারণে প্রকৃত নির্মাণ কাজ পিছনে পড়ে গেছে।

বস্তার তালি ও মই ব্যবহার করে স্থানীয়রা নিরাপদ যাতায়াতের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন দেখিয়ে চেষ্টা করছেন। এই ক্ষতি দুর করতে বালু ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রতি মাসে কমপক্ষে দুই বার। এই পদক্ষিণে অনেকে রাত দিন পরিশ্রম করছেন।

“বস্তার তালি ও মই হল আমাদের সেতু পার হওয়ার ক্ষুদ্র উপায়। বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার সময় বেশি সময় নষ্ট হয়। এতে কিছুটা হলেও নিরাপত্তি পাওয়া যায়।”

জমি অধিগ্রহণের বাধা এবং সামাজিক চেষ্টা

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, নতুন সেতু নির্মাণের মূল অবকাঠামো ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন সংযোগ সড়ক ভরাট করার কাজ করার প্রয়োজন। কিন্তু জমির মালিকদের বাধার কারণে কাজ অগ্রসর হচ্ছে না। ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন বলেন, প্রায় ১৯ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে সেতু পার হওয়ার কাজ বেশি দ্রুত হবে।

“জমি অধিগ্রহণে আমার তিন শতকের ভিটে পড়েছে। অধিগ্রহণের টাকা পাইনি। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত জমির দখল

Leave a Comment