নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবহন নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ: সড়ক ও সেতুমন্ত্রী
ন র পদ ও স বস ত – ঈদুল আজহার উপলক্ষে কুমিল্লায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের সামনে আসছে বৃহৎ পরিমাণে মানুষ এবং কোরবানিযোগ্য পশু পরিবহনের চাপ। এই সময়ে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবহন ব্যবস্থা সৃষ্টি করা সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনসচেতনতা এবং সমন্বিত প্রস্তুতির মাধ্যমে এবারের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানটি বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সংযুক্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়। সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন করিডর হলো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। বর্তমানে চার লেনের এই সড়কে যানবাহনের চাপ অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে।
‘সড়কটিকে ১০ লেন সক্ষমতায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’
সড়কমন্ত্রী জানান, সরকারের পরিকল্পনায় মূল সড়ক আট লেন এবং সার্ভিস লেন দুই লেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি যোগ করেন, ঈদ উপলক্ষে যানবাহনের চাপ মোকাবিলার জন্য সড়ক, রেল ও নৌপথে একত্রিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পথচারী, যাত্রী ও চালকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, কুমিল্লা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিছুজ্জামান, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮৬ জনের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক এবং আহত ৩৩ জনকে ৫৯ লাখ টাকার আর্থিক সহায�
