রাজধানীতে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, আ.লীগের ২৬ নেতা-কর্মী আটক
শেরেবাংলা নগরে অপ্রত্যাশিত সংঘটন ঘটেছে
র জধ ন ত ঝট ক ম – শেরেবাংলা নগর ও ধানমন্ডি এলাকায় ঝটিকা মিছিলের প্রচেষ্টার সময় আওয়ামী লীগের ২৬ জন নেতা ও কর্মীকে রাজধানী পুলিশ আটক করেছে। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে এ ঘটনা ঘটে। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের সামিল করে ঝটিকা মিছিল আয়োজনের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় পুলিশ কর্মচারীদের অপসারণের জন্য বিশেষ অপারেশন পরিচালিত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেল যে মিছিলের সংগঠনকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী স্থানীয় এলাকার স্থায়ী আবাসন ও রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আটক হওয়া ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও পরিচ্ছন্ন করার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি জিসানুল হক জানান যে মিছিল আয়োজনের চেষ্টার সময় পুলিশ নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীদের অবরুদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, “তারা মিছিল করার চেষ্টা করছিলেন এবং সামিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটক করা হয়েছে।” এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। আটক ব্যক্তিদের চারদিকে বন্ধ করা হয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা আটক করা হয়।
“ঝটিকা মিছিলের সময় আটক করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যাতে মিছিলের প্রবাহ বাধা দেওয়া যায়।” বলেন পুলিশের সূত্রে। আটক করা ব্যক্তিদের কেন্দ্রীয় সংস্থার দ্বারা পরিচালিত হয়েছে বলে জানা গেল।
সংঘটনের পর পুলিশ কর্মচারীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য স্থানীয় এলাকার বিশেষ পরিচালনা করা হয়। বিশেষ ভাবে একটি নিরাপত্তা অপারেশন পরিচালিত হয়েছে যেখানে রাজধানীতে একটি বিস্তৃত স্থানে ঝটিকা মিছিলের প্রচেষ্টা করা হয়। সংঘটনটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মিছিলের সাথে সংযুক্ত ছিল। পুলিশ দ্বারা আটক করা হয়েছে কয়েকজন নেতা ও কর্মীকে, যারা মিছিলে সংযোজন করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
ঝটিকা মিছিলের ঘটনার পরে স্থানীয় পুলিশ কর্মচারীদের সাথে সামাজিক সংঘটন ঘটেছে। পুলিশ সংগঠন বাড়ানোর জন্য আটক করা হয়েছে যারা মিছিলে সামিল ছিলেন। এ ঘটনার পরে কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে মিছিলের প্রবাহ দমনের জন্য স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করেছে। আটক করা হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীদের কাছে মিছিলের জন্য প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী।
রাজধানীতে ঝটিকা মিছিলের সময় আটক করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর জন্য। কয়েকজন নেতা ও কর্মী এ ঘটনার পরে রাজনৈতিক সংঘটন এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ গ্রহণের প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। এটি একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা যে পুলিশের কাছে একটি বিশে
