নরসিংদীতে সারোয়ার হত্যা: আর্থিক বিরোধে খুন, গ্রেপ্তার ২
নরস দ ত স র য় র – নরস দ ত স র য় র – নরসিংদী মডেল থানার পুলিশ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানায়, মেঘনা নদীর পাড়ে একটি ঝোপে উদ্ধার করা যুবক সারোয়ার হোসেন (২২) এর হত্যা মামলায় আরও দুই আসামী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং চারটি ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ তদন্তে খুঁজে পেয়েছে যে সারোয়ার হোসেন নিজের দুই বন্ধুর সাথে নরসিংদীর সারোয়ার হত্যার ঘটনার কাছাকাছি এলাকায় চলছিল একটি সাংঘাতিক আর্থিক বিরোধ। সারোয়ারের মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করছে এবং নরসিংদী স্থানীয়দের সাথে সংবাদ বিনিময় করছে।
হত্যার প্রক্রিয়া ও খোঁজাখুঁজি
পুলিশ জানায়, গত শনিবার দুপুরে সারোয়ার তাঁর অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চম্পকনগর এলাকায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নরসিংদী থানার পুলিশ বিশেষ টিম সারোয়ারের মৃতদেহ থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং তাঁর হত্যার প্রক্রিয়া খুঁজে বার করার চেষ্টা করছে।
হত্যার ঘটনার পর সারোয়ারের পরিবার ভীত হয়ে পড়েছে। তাদের মতে নরসিংদীতে আর্থিক বিরোধ চলছিল যার ফলে সারোয়ারের সাথে নিষ্ঠাপন ঘটেছিল। পুলিশ এখন নরসিংদী স্থানীয় আসামীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘটনার সম্পর্কে তদন্ত চালাচ্ছে এবং সারোয়ারের মৃতদেহ থেকে কোনো ফলা ফলি পাওয়া হয়নি। তদন্ত অনুযায়ী, মেঘনা নদীর পাড়ে সারোয়ারের পরিবার তাঁর অটোরিকশা এবং ব্যাটারি আসামীদের নিয়ে দুই হাতে হত্যার ঘটনার মামলা গঠন করেছে।
পরিবারের বিবরণ এবং হত্যার প্রেরণী
নিহত সারোয়ার হোসেন নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দগাতী এলাকার হাজী রহমানের ছেলে। তাঁর পরিবার নরসিংদী শহরের টাওয়াদী এলাকায় ভাড়া বাসায় বাস করতেন এবং সারোয়ার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে আয় করতেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সারোয়ার প্রায় ছয় ঘন্টা ব্যাটারি বহন করে নরসিংদীর একটি সর্বোচ্চ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত এলাকায় পৌঁছেছিলেন। তার সাথে নিষ্ঠাপন ঘটেছিল যার কারণে আর্থিক বিরোধ ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ হয়ে উঠেছিল।
আর্থিক বিরোধে নরসিংদীর সারোয়ার হত্যার ঘটনার আগে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন যার ফলে তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের নিয
