Bangladesh

দশমিনায় এনজিও কার্যালয়ে ঋণ বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২

দশমিনায় এনজিও কার্যালয়ে ঋণ বিতরণে সংঘর্ষ, দুই আহত

দশম ন য এনজ ও ক র – পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সংগ্রাম এনজিও কার্যালয়ে ঋণ বিতরণের সময় ঋণগ্রহীতা ও কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে। বিষয়টি সোমবার বিকেল ৬টায় ঘটে। আহতদের মধ্যে ঋণগ্রহীতার ভাই এছাহাক হাওলাদার ও ফিল্ড কর্মী মো. রাসেল রয়েছেন।

ঋণ বিতরণে রাজি হয়নি মো. মফিজ

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী সোমবার দুপুর ১২টায় মো. মফিজ হাওলাদারকে দেড় লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। তিনি সকাল ১১টা থেকে অফিসে অপেক্ষা করছিলেন। দুপুর ২টার পরও টাকা পায়নি তিনি। ম্যানেজার মো. কামরুল ইসলামের কাছে ঋণ বিতরণ নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেন। একটু পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যানেজার কামরুল ইসলাম বলেন, `ঋণগ্রহীতা মফিজ সকালেই অফিসে আসেন। আমি দুপুর ১২টার সময় বলি, জুল ক্লোজিং মাস, একটু সময় লাগবে। একাউন্টিং সাহেব ব্যাংকে টাকা আনতে গিয়েছে, আসতে সময় লাগবে। এই কথা বলায় আমার উপর রেগে যান তিনি। অফিসের বাইরে গিয়ে পরে কয়েকজন অপরিচিত লোক নিয়ে অফিসে এসে আমার ফিল্ড কর্মীকে মারধর করেন। মফিজের ফোন ছুড়ে মারার কারণে ওই কর্মীর মুখ ফেটে গুরুতর আহত হন।’

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ম্যানেজার ৯৯৯-এ ফোন করেন। দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষেপিত হাতাহাতি শান্ত করেন। আহত ফিল্ড কর্মী মো. রাসেল হোসেনকে দশমিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুজনকে বরিশাল শের-ই বাংলা হাসপাতালে পাঠান।

ঋণগ্রহীতা মো. মফিজের দাবি

মো. মফিজ হাওলাদার বলেন, `আমি সংগ্রাম এনজিও অফিসের নিয়মিত সদস্য। সকাল ১১টায় ফিল্ড অফিসার অফিসে আসতে বলেন। আমি সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করি। ম্যানেজারকে বিষয়টি জানালে আমাকে ধমক দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমার সাথে কথা কাটাকাটি হলে তার সহকর্মীরা আমাকে একটি রুমে আটকে রাখে। আমার ভাইকে ফোন দিয়ে বলি আমাকে রক্ষা করতে। তিনি আসে এবং আমাকে রুম থেকে বের করেন।’

ফিল্ড কর্মী তার ভাইকে মারধর করে। এতে তিনি আহত হন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, `ঘটনার বিষয় শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।`

Leave a Comment