ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ পিকআপ গ্রেপ্তার, মাদ্রাসা সুপার পলাতক
ত র শ ল এক টন প – ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ পিকআপ গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশের হাতে। ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় সরকারি পাঠ্যবই বহনকারী একটি পিকআপ চালক মো. জাকারিয়া আটক করা হয়েছে। তবে মাদ্রাসা সুপার হাফেজ মৌলানা ইউনুস আলী ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। এই ঘটনায় সরকারি বই বিতরণের দায়িত্ব গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের কাছে গুরুতর বিতর্ক উঠেছে।
পুলিশের অভিযান এবং জব্দ প্রক্রিয়া
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরাফাত সিদ্দিকী ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা জাকারিয়া পিকআপ চালাচ্ছিলেন। এ ঘটনার সময় গাড়িটি ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ জব্দ করা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চালককে থানায় নিয়ে আসে।
“ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার বইগুলো বিক্রি করতে পিকআপে তুলে দিয়েছিলেন। তবে ঘটনাস্থলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।”
ত্রিশাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, সুপার বই বিতরণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জানানোর পর ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ পিকআপ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পরিস্থিতি কি হয়েছে ও অর্থনৈতিক প্রভাব
ত্রিশাল থানার উপপরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বইবোঝাই পিকআপ ও চালককে থানায় হস্তান্তর করেছেন। ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ গাড়িটি জব্দ করে বিতরণ প্রক্রিয়া বিচ্ছিন্ন হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজছেন। এ বিষয়ে মাদ্রাসা সুপার পলাতক থাকার কারণে বিতরণ অব্যাহত রাখা হয়নি।
বিষয়টি আরও বিস্তারিত করে জানা যায় যে, পিকআপ গাড়িটি মাদ্রাসার বই বিতরণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ গাড়িটি জব্দ করে পুলিশ নিশ্চিত করতে চাইছেন যে সরকারি বই সংকটমুক্ত হবে। মাদ্রাসা সুপার হাফেজ মৌলানা ইউনুস আলী বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।
এই ঘটনায় ত্রিশালে এক টন পাঠ্যবইসহ পিকআপ জব্দের প্রকৃত কারণ আরও পরিষ্কার হয়নি। যদিও পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজছেন, তবে তারা প্রাথমিকভাবে অপ্রশিক্ষিত বই বিতরণের অপরাধ ধরে তদন্ত শুরু করেছেন। এই ঘটনার সংকট উঠেছে কারণ বই বিতরণ নিয়ে মাদ্রাসার সুপার বিপর্যয় সৃষ্টি করেছেন।
ত্রিশাল উপজেলা সরকারি স
