Bangladesh

তিনবারের দরপত্রেও কাজ হয়নি ৯ ট্রাফিক সিগন্যালে

Foto : Jennifer Jones - banglajibon.com
Table of Contents
  1. রাজধানীতে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনে নতুন উদ্যোগ, তবে ৯ মোড়ে এখনও কাজ বাকি
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

রাজধানীতে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনে নতুন উদ্যোগ, তবে ৯ মোড়ে এখনও কাজ বাকি

Banglajibon.com – ত নব র র দরপত র ও – ঢাকার হাইকোর্ট মোড় থেকে শুরু করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত মোট ২২টি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে ঠিকাদার নির্বাচনের জটিলতায় এর মধ্যে ৯টি মোড়ের কাজ এখনও আটকে রয়েছে। সরকারি ক্রয়বিধি বা পিপিআর অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে না পারায় তিনবার দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো ঠিকাদার চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর আরও ৫০টি মোড়ে নতুন প্রজন্মের আইটিএসভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলমান প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসির আওতাধীন ২৮টি এবং ডিএসসিসির আওতাধীন ২২টি মোড়ে এই নতুন সিগন্যাল স্থাপন করা হবে।

কোন মোড়গুলোতে কাজ বাকি?

প্রথম ধাপে মোট ২২টি মোড়ে সিগন্যাল স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন আটটি মোড়েই এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ১৪টি মোড়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচটিতে সিগন্যাল বসানো হয়েছে। ফলে উত্তর সিটির নয়টি মোড়ে এখনও সিগন্যাল স্থাপন বাকি রয়েছে।

ডিএসসিসির আওতাধীন বাংলামোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল, মৎস্য ভবন, কদম ফুটারা, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ মোড়ে সিগন্যাল চালু রয়েছে। ডিএনসিসির আওতাধীন সোনারগাঁও ক্রসিং, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাহাঙ্গীর গেট মোড়েও সিগন্যাল চালু হয়েছে। তবে মহাখালী, রেলক্রসিং, আমতলী, ডিওএইচএস, বনানী চেয়ারম্যানবাড়ি, কাকলী, বনানী কবরস্থান, বনানী কাঁচাবাজার ও কমিউনিটি সেন্টার ক্রসিং—এই নয়টি মোড়ে এখনও সিগন্যাল বসানো হয়নি।

অর্থায়ন ও চ্যালেঞ্জ

প্রথম ধাপের ২২টি সিগন্যালের অর্থায়নের দায়িত্ব ছিল দুই সিটি করপোরেশনের। তবে নতুন ৫০টি সিগন্যাল স্থাপনের জন্য অর্থ বিভাগ থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল) নাঈম রহমান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর জন্য ৫০ কোটি টাকা গত সপ্তাহে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’ ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বলেন, চালু হওয়া সিগন্যাল পরিচালনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনবল ও রক্ষণাবেক্ষণ।

বাকি নয়টি মোড়ের কাজ বর্তমানে দরপত্রপ্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈম রহমান খান আজকের পত্রিকাকে এই কথাটি জানান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফার গত ডিসেম্বরে, দ্বিতীয় দফার এপ্রিলে এবং সর্বশেষ জুনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো পিপিআর অনুযায়ী চাওয়া অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে পারেনি। সে কারণে কিছু শর্ত শিথিল করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অর্থসংকটও কাজ দেরি হওয়ার একটি কারণ ছিল।

সিগন্যাল চালু হওয়ার পর পরিস্থিতি

সরজমিনে দেখা গেছে, ট্রাফিক সিগন্যাল চালু থাকলেও এখনও ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতিতে তা পরিচালিত হচ্ছে। লাল বাতি জ্বলার পর অধিকাংশ বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল থেমে যেতে দেখা গেছে। কাউন্টডাউন ডিসপ্লে থাকা অনেক চালক আগেই গতি কমিয়েছেন। তবে কিছু রিকশা ও মোটরসাইকেলকে সিগন্যাল অমান্য করে এগিয়ে যেতে দেখা গেছে।

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা জানান, আগের তুলনায় চালকদের মধ্যে সিগন্যাল মানার প্রবণতা বেড়েছে এবং মোড়গুলোতে যান চলাচলে কিছুটা শৃঙ্খলা এসেছে। ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রাজীব খাদেম বলেন, তাঁদের আওতাধীন আটটি মোড়েই সিগন্যাল স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে এবং সিগন্যাল অনুযায়ী যানবাহন চলাচল করছে। অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে একটি মোড়ে কন্ট্রোল বক্স, সিগন্যাল লাইট ও প্রয়োজনীয় সংযোগ স্থাপনে চার-পাঁচ দিন সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বুয়েটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘদিনের ম্যানুয়াল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, চালকদের নিয়ম না মানার প্রবণতা এবং ট্রাফিক সংস্কৃতির সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবস্থার বিকল্প নেই।’ দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান ও নতুন প্রকল্পের কাজ মিলিয়ে আগামী চার মাসের মধ্যে অধিকাংশ সিগন্যাল স্থাপনের কাজ শেষ হতে পারে।

Frequently Asked Questions

What is ত নব র র দরপত র ও?

ত নব র র দরপত র ও is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ত নব র র দরপত র ও matter?

ত নব র র দরপত র ও matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment