টাঙ্গাইলে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু ঘটেছে
অপরিচিত সাপের কামড়ে জীবন হারানো শিশু
ট ঙ গ ইল স প র – টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর সুলতাননগর গ্রামে ট ঙ গ ইল স প নামক শিশু বাড়ির উঠানে খেলা করছিল যখন একটি বিষধর সাপ তার কাছে হঠাৎ ছুটে আসে। ছেলেটি ফাহাদ (১০) নামে পরিচিত ছিল এবং সাপের কামড়ে তার শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ার ফলে মৃত্যু ঘটে। ঘটনার সময় তার জীবন কোনও আশা ছাড়া ছিল না, কিন্তু ট ঙ গ ইল স প র পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সময় ব্যয় করেন।
ট ঙ গ ইল স প র পরিবার ঘটনার পর তার সদস্যদের মধ্যে বিষাক্ত চিকিৎসার প্রয়োজনের কথা বিশ্লেষণ করেন। কুতুবপুর থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা শিশুটির অবস্থা খুব গুরুতর হওয়ার কথা জানান। তবে বিষ প্রাণের জীবন ধ্বংস করার সময় সাপ কামড়ে ট ঙ গ ইল স প র শরীরে ছড়িয়ে পড়ার পর চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু সময়ের অভাবে কোনও বিপর্যয় ঘটতে পারে।
“ট ঙ গ ইল স প র পরিবার দুঃখে আচ্ছন্ন হয়েছে। সাপের কামড়ে শিশুটি জীবন হারানোর পর তাদের মধ্যে বিষাক্ত আরো পরিস্কার করার চেষ্টা চালানো হয়েছে,” উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন।
ট ঙ গ ইল স প র ঘটনার বিস্তারিত তথ্য অনুসারে, সাপের কামড় ছিল কয়েকজন শিশুর সঙ্গে খেলার সময় ঘটে। একটি বিষধর সাপ তার কাছে ছুটে আসার পর শিশুটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবার দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু যানজটের কারণে সময় বিলম্ব হয়েছিল এবং সেই বিলম্বের ফলে ট ঙ গ ইল স প র শরীরে বিষ ক্রমশ প্রবেশ করে।
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যুর ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় আশরাফ আলীর পরিবার দুঃখে আচ্ছন্ন হয়েছে। মৃত শিশুটি ট ঙ গ ইল স প র হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকদের দেখাদেখি তার মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। ট ঙ গ ইল স প র মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পর তার জীবন আর ফিরে আসেনি।
ট ঙ গ ইল স প র সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনার পর অনেকে বিষাক্ত পদার্থ এবং সাপ বিষের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। সাপ তার জীবন হারানোর পর ট ঙ গ ইল স প র পরিবার আশাহীন হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু করার পর বিষ ক্রমশ শিশুটির শরীরে প্রবেশ করে এবং সেই প্রবেশের ফলে মৃত্যু ঘটে।
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় ট ঙ গ ইল স প র পরিবারের সদস্যদের প্রতিক্রিয়া এখনও চলছে। মৃত শিশুটি তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। হাসপাতালে চিকি
