চট্টগ্রাম: শিশু হত্যার মামলার অগ্রগতি ধীরগতির হচ্ছে
চট টগ র ম – গত সাড়ে চার মাসে চট্টগ্রামে ছয় শিশু নিহত হয়েছে, যা পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিরোধের ফলে ঘটেছে। এগুলো ঘটনার সময় পরিবার ও দুপক্ষের সংঘাতে ভুক্তভোগী শিশুরা নিহত হয়। কিন্তু এসব হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলোর অগ্রগতি কম দ্রুত। তদন্তের প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো হতাশা প্রকাশ করেছে।
আইন বিশেষজ্ঞের মন্তব্য
আইনজীবী এ এম জিয়া হাবীব আহসান বলেন, ‘একটি মামলার চার্জশিট তৈরি করতে লাগে ৩ বছর। বিচারপ্রক্রিয়ার সময় সাক্ষীরা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় চলে যাচ্ছে। এতে মামলার সাক্ষ্য প্রমাণে বাধা তৈরি হচ্ছে। সেসব মামলার আসামিরা বিচার প্রক্রিয়ায় বেরিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, শিশু হত্যার মামলাগুলো রোধে সামাজিক প্রতিরোধ, রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগ গঠনের জন্য এগুলো তিন মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব।
ক্ষেত্রীয় ঘটনা
৮ এপ্রিল রাতে বাকলিয়া থানার বউবাজার ওসি মিয়া সড়কে দুই বছর বয়সী শিশু আশরাফ বিন সামিরে মৃত্যু হয়। ঘটনার দিন শিশুর মা শারমিন আক্তার ও স্বামী সজীব ও শাশুড়ি নুর বেগমের ঝগড়ায় সামিরকে কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
৪ এপ্রিল ময়দার মিলে এলাকায় দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে চোখে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় রেশমী আক্তার (১১)। এ ঘটনায় পুলিশ বায়েজিদ থানায় তদন্তাধীন রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় সাত বছর বয়সী জান্নাতুল নাইমা হীরামনি নামের শিশু গলার শ্বাসনালি কাটা হয়। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ ঘটনায় পুলিশ বাবু শেখ গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিচারপ্রক্রিয়ায় তিনি স্বীকারোক্তি দিয়
