Bangladesh

চট্টগ্রাম ও বরিশাল: পশুর দাম চড়া, জমেনি হাট

চট্টগ্রাম ও বরিশাল: পশুর দাম চড়া, জমেনি হাট

চট টগ র ম ও বর শ – ঈদুল আজহার উপলক্ষে পশু বিক্রি করার সময় আসছে তিন দিন পরে। এখন চট্টগ্রাম ও বরিশাল নগরে কোরবানির পশু বিক্রি হাট বেশি জমে আছে। হাটগুলোতে বিক্রেতারা ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু ও ছাগল বিক্রি করছে। কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম। অনেকে হাট ঘুরে গরু দেখে দরদাম করে ফিরে যাচ্ছে।

বরিশালের পশু বিক্রি হাটগুলোতে গত বছরের তুলনায় এবার পশু কম উঠেছে। দেখা গেছে খামারি ও ব্যাপারীদের মতামত আলাদা। তাদের দাবি, গো-খাদ্য ও শ্রমিক মজুরির দাম বেড়েছে বলে পশু বিক্রি দাম উঠেছে। খামারসংশ্লিষ্টরা পর্যাপ্ত টিকা ও ওষুধ পাচ্ছে না বলে আপত্তি জানাচ্ছে।

পশুর ঘাটতি ও চাহিদা

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৮১টি। কিন্তু স্থানীয় খামারির কাছে পশু মজুত রয়েছে ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি। ফলে প্রায় ৩৫ হাজার পশুর ঘাটতি রয়েছে।

অন্যান্য এলাকা থেকে গরু কিনে এনেছে পাইকারেরা। কিন্তু বরিশাল নগরীর হাটগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা কম। সারি সারি পশু রাখার জায়গা করা হলেও বেশির ভাগ ফাঁকা থাকছে। ক্রেতা আসলেও বাজার যাচাই করে ফিরে যাচ্ছে।

বর্তমানে বিক্রেতারা পশুর দাম অনেক বেশি হাঁকছে। ৫০-৬০ হাজার টাকার গরুর জন্য ৮০-৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।

যারা হাটে আসছেন তাঁদের বেশির ভাগ বাজার যাচাই করছে। তাঁদের মতে, ঈদ আসার আগে বাকি থাকায় তারা শেষ সময়ের অপেক্ষা করছে। চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেড় বছর আগে খামারের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৫০০টি। এখন সেই সংখ্যা কমেছে বলে জানান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর।

বরিশাল অঞ্চলের বৃহৎ হাট চরমোনাইতে গত শনিবার থেকে গরু তুলেছেন হাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন। কয়েকটি বিক্রি হয়েছে বলে জানান তিনি। কিন্তু হাটে পশু কম আসছে। বিভাগীয় পরিচালক মো. মাহফুজুল হক বলেন, বাড়িতে পালিত গরু বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বরিশাল জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত গরু বিক্রি হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিভাগে সম্ভাব্য চাহিদা �

Leave a Comment