গাইবান্ধায় ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টির প্রভাব: নগরবাসীর মুখে জলাবদ্ধতার আগুন
গ ইব ন ধ য় ১০১ ম – গাইবান্ধায় বৃষ্টিতে তীব্র জলাবদ্ধতা ঘটার ফলে শহরের বিভিন্ন অংশে পানি জমে ওঠার পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। গাইবান্ধা জেলার সর্বোচ্চ বৃষ্টি হিসেবে নথিভুক্ত হওয়া গাইবান্ধায় বৃষ্টির পরিমাণ গত কাল মঙ্গলবার রাতে সাড়ে ১২টা থেকে আজ বুধবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত পর্যন্ত হয়েছে। রংপুর আবহাওয়া কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ বৃষ্টিপাত চলতি বছরে জেলার সর্বোচ্চ হিসেবে গণ্য হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন সড়ক এবং নিচু এলাকাগুলো আবারও তীব্র বিপর্যস্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতি নগরবাসীদের দৈনিক চলাচল ও বাসা-ঘর থেকে বের হওয়া কাজে বাধা দিয়েছে।
ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যা গাইবান্ধার বিপর্যস্ত হওয়ার প্রধান কারণ
হেলাল উদ্দিন বলেন, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং অপ্রতুল রক্ষণাবেক্ষণের কারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হচ্ছে না। গাইবান্ধায় বৃষ্টিপাতে শহরের অনেক এলাকা তীব্র জলাবদ্ধতার মুখে পড়ে। তিনি দাবি করেন যে নিয়মিত ড্রেনে ময়লা-আঘাত সংক্রান্ত সমস্যা অব্যাহত থাকার কারণে কোনও পরিকল্পনা অব্যাহত থাকায় বিপর্যস্ত হওয়া প্রায় অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
আলিফা বলেন, গাইবান্ধায় সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা পানির মধ্যে ডুবে যায়। এতে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার জন্য নোংরা পানির মধ্য দিয়ে পায়ে পায়ে চলতে হয়। এ ছাড়া স্কুল মাঠে এতে পানি উপচে যাওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস রুমে পানি ঢুকে আসছে। এসব সমস্যা নগরবাসীদের অসুবিধা দিয়েছে।
শ্রী অমল চন্দ্র বলেন, গাইবান্ধায় বৃষ্টিপাতে হাঁটু সমান পানি জমে ওঠার ফলে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জীবনে অনেক জনপ্রতিনিধির শুধু আশ্বাসের বাণী শুনছি। কিন্তু কেউ গাইবান্ধায় বৃষ্টির প্রতিক্রিয়া দেখায় নাই।
জাহাঙ্গীর কবির তনু বলেন, গাইবান্ধায় সামান্য বৃষ্টি হলেই শহরের আঠারো দশকের সর্বোচ্চ বৃষ্টির পরিমাণে পানি উপচে যাওয়ায় দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে পৌরসভার অপরিকল্পিত ও অপ্রতুল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে নগরবাসীকে অপরিসমাপ্ত ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
গাইবান্ধায় বৃষ্টির পরিস্থিতি চারিদিকে বিপর্যস্ত হওয়ার প্রমাণ
গাইবান্ধায় বৃষ্টির প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। শহরের সড়ক বিভিন্ন প্রান্তে পানি জমে ওঠার কারণে গাড়ি চালানো অসম্ভব হয�
