মৎস্য প্রজনন মৌসুমে হাওরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা মানছেন না জেলেরা
মৎস য প রজনন ম স ম – মৎস্য প্রজনন মৌসুমে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম, ইটনা এবং মিঠামইন হাওরাঞ্চলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে যাতে মাছ শিকার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে দুই মাস ধরে। সরকার এই বিধিমূলক পদক্ষেপটি গ্রহণ করেছে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণের লক্ষ্যে যেহেতু হাওরাঞ্চল বিশেষ করে মৎস্য প্রজনন মৌসুমে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরার জন্য অপরিহার্য ক্ষেত্র। গুরুত্বপূর্ণ সময়টিতে এই নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিক পরিচয় দিয়েছে কিশোরগঞ্জের মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে যে হাওরে মাছ শিকারের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বৃহৎ স্তরে।
মৎস্য প্রজনন মৌসুমের গুরুত্ব ও চ্যালেঞ্জ
মৎস্য প্রজনন মৌসুম বাংলাদেশের সমুদ্র এবং হাওরাঞ্চলে জীবিকা সুবিধা প্রদানের মূল বিষয়। প্রজনন পর্বে হাওরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে কারণ সেই সময়ে মাছগুলি বাড়িয়ে প্রজনন করে এবং শিকার করলে তাদের সংখ্যা কমে যায়। অষ্টগ্রাম উপজেলার কলমা ইউনিয়নে এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্থানীয় মাছ শিকারীদের সাথে আলোচনায় আনা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম নিয়ে আস্থাভাজন হাওর পরিচালনা কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।
অষ্টগ্রাম উপজেলার কলমা ইউনিয়নের জেলে বিশ্ব চন্দ্র দাস (৫৫) বলেন, “মাছ ধরার নিষেধ করলে তো পেটের খিদা বন্ধ থাকবে না। আমরা সরকারি নিষেধ মানতে চাই, কিন্তু সরকার খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনা না দিলে আমরা চলতে পারব না।”
মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নের জেলে আমির হোসেন (৪২) বলেন, “আমরা সরকারি আইন মানতে বাধ্য, তবে সরকারকেও সমানভাবে আমাদের সাহায্য করতে হবে। এক মাস মাছ না ধরলে খামু কী? বউ পোলাপান নিয়ে চলি এই মাছ বেঁচার ট্যাকায়।”
এই মৌসুমে সাধারণত হাওর অঞ্চলে মাছ ধরার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় স্থান হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলার কয়েকটি উপজেলা বিশেষ ভাবে জনপ্রিয়। মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালিত সংরক্ষণ প্রকল্পগুলি অনুসারে প্রতি মাসে নিষেধাজ্ঞা মৌসুমের সময়ে সম্পদ পুনরুদ্ধারের জন্য সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়েছে যাতে সমগ্র হাওর অঞ্চলে মাছ শিকার বন্ধ করা হয়। সাধারণত প্রতিটি মাছ শিকারী সেই মৌসুমে অনেক পরিমাণ মাছ ধরতে পারে যা তাদের অর্থনীতি এবং পরিবারের জন্য ক্রমাগত উপাদান হিসেবে কাজ করে।
তবে অবশ্যই নিষেধাজ্ঞা মানছেন না জেলেদের কারণে তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই সময়ে যে ক
