গাংনীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৭ জন আহত
গ ন ত ক ক র র – মেহেরপুরের গাংনী শহরে একটি স্থানীয় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৭ জন মানুষ আহত হয়েছেন, যার মধ্যে মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধ রয়েছেন। গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ব্যাপী শহরের বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটি কামড়িয়ে কমপক্ষে ১৭ জন মানুষকে আহত করে। কুকুরের এই ক্রোধ ছড়িয়ে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অস্বাভাবিক আচরণে কুকুরটি বিরক্ত মানুষ ক্ষোভে মেরে ফেলে।
অপরাহ্নে ঘটনা ঘটে ছোট-বড় সবাই কামড়ে প্রাণ হারায়
গাংনী উপজেলা পরিষদ গেট এলাকা থেকে কুকুরটির আক্রমণ শুরু হয়। এরপর বাসস্ট্যান্ড, আমিন মিষ্টান্ন গলি, থানা রোডসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ সবাই কামড়ে আহত হয়। কুকুরটি যে কোনও যাত্রীকে কামড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয় এবং শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
মাহবুবুর রহমান বলেন, গ্রামে ছোট ছোট শিশু রয়েছে, কুকুরের আক্রমণে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রচুর কুকুরের উৎপাত বেড়েছে এবং কিছু কুকুর অস্বাভাবিকভাবে আচরণ করছে।
ভ্যাকসিন নেই হাসপাতালে কর্মকর্তার কথা
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ে আহত সাদিয়া সুলতানা বলেন, আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা পাই। তবে সেখানে ভ্যাকসিন নেই। অত্যন্ত দুঃখজনক হাসপাতালে ভ্যাকসিন অবিস্তার হওয়া বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার।
সাদিয়া সুলতানা বলেন, ‘কুকুরে কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি। এখানে চিকিৎসকেরা আমাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। কিন্তু জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধে ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হবে।’
ব্যবসায়ী জিনারুল ইসলাম জানান, হঠাৎ কুকুরটি অস্বাভাবিকভাবে দৌড়াতে থাকে এবং পথচারীদের ওপর আক্রমণ শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ সবাই কামড়ে আহত হয়। পরিস্থিতি খারাপ দেখে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে দোকান ও বাসাবাড়িতে আশ্রয় নেয়।
বিষয়টি নিয়ে কর্মকর্তারা কী করছেন?
গাংনী উপজেলা
