কোটালীপাড়ায় চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০
ঘটনার পরিস্থিতি ও আহতদের তথ্য
ক ট ল প ড় য় চ – কোটালীপাড়ায় ব্যাটারি চুরির অভিযোগ প্রতিটি পর্যায়ে সংঘর্ষ ঘটেছে যাতে কমপক্ষে ২০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘাঘরকান্দা-ব্যাপারীপাড়া গ্রামে আজ সোমবার সন্ধ্যায় ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০), জলিল গাজী (৪৬), ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২) এবং জাহিদুল বরকতউল্লাহ (৩৮)। ঘটনার স্থান ও সময়ের বিবরণ এ সংঘর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কোটালীপাড়ায় জনগণের কাছে খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর সংঘর্ষ প্রায় অপ্রতিহত হয়েছে।
আটকের প্রক্রিয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা
জানা গেছে, ঘাঘরকান্দা-ব্যাপারীপাড়া গ্রামের মাদকবিরোধী কমিটির সদস্যরা কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে ব্যাটারি চুরির অভিযোগে আটক করেন। কমিটির কার্যালয়ে তাদের রেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়। কিন্তু কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের মানুষরা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর জন্য কমিটির কার্যালয় ভাঙচুর করে এবং আটক করা তিনজন চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোটালীপাড়ায় আরও গুরুতর পরিস্থিতি দেখা দেয়।
“আমাদের ব্যাপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুলাহ ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা এই তিনজনকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশে খবর দিই।” মাদকবিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন।
“আমরা কাউকে মারধর করিনি। আমাদের লোকজনকে তারা মারধর করে আহত করেছে।” কাঠিগা-চিতশী গ্রামের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান।
পুলিশের তদন্ন ও বর্তমান পরিস্থিতি
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ �
