Analysis

ইরানে ধাক্কা খেয়ে কীসের আশায় চীনে যাচ্ছেন ট্রাম্প

ইরানে ধাক্কা খেয়ে কীসের আশায় চীনে যাচ্ছেন ট্রাম্প

ইর ন ধ ক ক খ য় – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের সম্মুখীন হয়েছেন, সামনে আইনি জটিলতা এবং জনপ্রিয়তার ধ্বংস ঘটছে। তিনি চীনে সফরে যাচ্ছেন তিনটি প্রধান সংকটের মধ্যে। বিশ্লেষকদের মতে, একসময় চীনের ওপর কঠোর বাণিজ্য চাপ আরোপ করে আমেরিকার আধিপত্য পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে উচ্চ আভিলাষ ট্রাম্প দেখিয়েছিলেন, এখন তা অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে।

১৪ ও ১৫ মে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পের লক্ষ্য এখন মূলত কিছু বাণিজ্যিক সমঝোতা এবং ইরান বিষয়ে চীনের সহযোগিতা অর্জন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াশিংটনের আধিপত্য বজায় রাখার পরিবর্তে এখন ট্রাম্পের প্রয়োজন বেশি হয়েছে।

‘ট্রাম্প এখন এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি-সংক্রান্ত সাফল্য চান, যা দেখাবে তিনি শুধু বিশ্বরাজনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করছেন না, বরং স্থিতিশীলতাও আনতে চান।’

গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় সংক্ষিপ্ত বৈঠকে ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা স্থগিত করেছিলেন। এর ফলে বিরল খনিজ রপ্তানির লাইসেন্স ব্যবস্থা কঠোর করেছে বেইজিং। কিন্তু এরপর থেকে চীন আমেরিকার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করেছে।

ট্রাম্পকে একই সময় মোকাবিলা করতে হচ্ছে আদালতে শুল্কবিরোধী রায়, ইরান সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব। রয়টার্স/ইপসোস জরিপ অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ নিয়ে শুধুমাত্র দুই তৃতীয়াংশের বেশি মার্কিন নাগরিক তাঁর অবস্থানের বিরোধিতা করছেন।

ট্রাম্পের বেইজিং সফরে তিনি টেসলার ইলন মাস্ক ও অ্যাপলের টিম কুকের মতো সুপ্রিম করপোরেট প্রধানদের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। তবে ২০১৭ সালের তুলনায় এবার ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল ছোট। বৈঠকে কৃষিপণ্য, গরুর মাংস ও বোয়িং উড়োজাহাজ রপ্তানি নিয়ে কিছু সমঝোতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ �

Leave a Comment