ভারত ও বাংলাদেশ যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হওয়া সম্ভব হয়েছে না বলে জানানো হয়েছে
আন তদ শ য় য ত র – বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলো গত রোববার থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। এটি প্রায় দুই বছর পর ঘটনা। যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে যেহেতু ভারত এখন বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা বন্ধ করেছিল গত আগস্টে। তবে মেডিকেল ভিসা দিয়েছে।
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশ-ভারত মধ্যে চলতি আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তিনটি ট্রেন বন্ধ হয়েছিল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ রেলওয়ে গত দুই বছরে তিন দফায় ভারতীয় রেলওয়েকে ট্রেন পুনরায় চালু করার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। কিন্তু এখনো কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল না।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ট্রেন চালু করা হবে। তিনি জানান, দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা ৩৮তম ইন্টারগভর্নমেন্টাল রেলওয়ে মিটিং শিগগির অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের মার্চে সভা বাংলাদেশে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা হয়নি।
বাংলাদেশ-ভারত আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুধু পরিবহন বিষয় নয়, এটি দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।
ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে যেহেতু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে পটপরিবর্তন ঘটে। এই টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে রেল যোগাযোগ ও অন্যান্য সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে। এবং ভবিষ্যতে মৈত্রী এক্সপ্রেস যমুনা রেলসেতু থেকে পদ্মা সেতু হয়ে চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, আন্তদেশীয় ট্রেন বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ রাজনৈতিক। যদিও দুই দেশ প্রতিবেশী হওয়ায় যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো জনগণের যোগাযোগ ও যাতায়াতে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উভয় দেশের মানুষের স্বার্থে ট্রেন চালু করা প্রয়োজন।
