Bangladesh

যৌন হয়রানির অভিযোগে খুবি শিক্ষককে ডিসিপ্লিন থেকে অব্যাহতি, তদন্ত শুরু

যৌন হয়রানি অভিযোগে ডিসিপ্লিনের প্রধান শিক্ষকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তদন্ত শুরু

য ন হয়র ন র অভ য – খুবি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের ৭ সদস্যের কমিটি তদন্তের কাজ শুরু করে। অভিযোগের পর তাঁকে ডিসিপ্লিনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “ফেসবুকে তাঁকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর পরদিনই তিনি তা গ্রহণ করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বার্তা পাঠানো শুরু করেন। বিষয়টি আমাকে বিস্মিত করেছিল। পরবর্তীতে তাঁর পাঠানো বার্তাগুলো ক্রমেই অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে আমি বিষয়টি আর সহ্য করতে না পেরে সহপাঠী ও ডিসিপ্লিনের প্রতিনিধিদের জানাই। এরপর বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো নিপীড়নমূলক বার্তার প্রমাণসহ যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন যে শুরুতে ওই শিক্ষক তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণ করলেও পরে মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে কুরুচিপূর্ণ ও অস্বস্তিকর বার্তা পাঠাতে শুরু করেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী আরও বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি জানতে চাইলে অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। তিনি বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁর মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যায়। এরপর তিনি তাঁর ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেন। এই বিষয়ে থানায় জিডি করা হলেও এখনো ফোনটি উদ্ধার হয়নি।”

আরেক ছাত্রী অভিযোগ করেন যে প্রায় এক যুগ আগে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এতটা জনপ্রিয় ছি�

Leave a Comment