আন্তর্জাতিক নারী: বিষাদ আর বীরত্বের গল্প রচিত হয়েছিল যাঁর আঙুলের ডগায়
আতঙ্কের শিকারী হিসেবে বিশ্বযুদ্ধের ময়দানে বাঁচিয়েছিলেন যুদ্ধের নারী নেতা
আন তর জ ত ক ন র – প্রসিদ্ধ সামরিক স্নাইপার লিউডমিলা পাভলিচেনকো তাঁর একটি বিশেষ সাংবাদিক সমাগমে গৃহীত অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়ে বিশ্ব ইতিহাসে এক নতুন প্রতিশ্রুতি জাগিয়েছিলেন। একটি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে নিখুঁত স্নাইপার হিসেবে জার্মান বাহিনী থেকে প্রায় ৩০৯ জন শত্রুকে প্রাণ হারাইয়েছিলেন। তাঁর বাক্যে প্রশ্নটি উঠেছিল: “আমার বয়স এখন ২৫ বছর। কিন্তু এই সময়ে আমি আপনাদের মুখে একটি সাধারণ সাংবাদিকের কাছে কিছুক্ষণ আগে যুদ্ধের বীরত্বের বিষয়ে বিতর্কিত হয়েছিলেন। তাঁর সামনে বসা পুরুষদের মধ্যে কিছু লৈঙ্গিক ভাবে প্রশ্ন করছিল তাঁর সামরিক পোশাকের ঝুল বা অন্তর্বাসের রং নিয়ে।
“আপনারা কি মনে হয় না যে আমার পিঠের পেছনে আরও বেশি দীর্ঘ সময় ধরে দৃষ্টি দিয়েছেন?” তিনি অনুবাদকের সাহায্যে রুশ শব্দগুলোকে ইংরেজিতে রূপান্তর করে প্রতিবেদন করেন।
১৯১৬ সালে ওডেসা স্থাপন করা হয়েছিল লিউডমিলা পাভলিচেনকো। এই ইউক্রেনীয় মহিলার আসল পরিচয় ছিল মানুষের হাতে নিরাপত্তি প্রদানের জন্য একটি সাধারণ নার্স হওয়া। কিন্তু তাঁর নিষ্ঠা ছিল সেনা বাহিনীতে যোগদানের জন্য। বিশ্বযুদ্ধের মাটিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সোভিয়েত নাগরিক হিসেবে আঘাতে অপসারণ করেন। সোভিয়েত সরকার তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক উপাধি “হিরো অব দ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন” দিয়ে ভূষণ করেছিল।
যুদ্ধক্ষেত্রে তাঁর প্রধান অস্ত্র ছিল এসভিটি-৪০ সেমি-অটোমেটিক রাইফেল এবং তার সঙ্গে যুক্ত ৩.৫ এক্স টেলিস্কোপিক সাইট। সেখানে তিনি মুখোমুখি হন ৩৬ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত জার্মান স্নাইপারদের। প্রতিটি বিপদে তিনি মুক্তি পান নিশ্চিত করে। তাঁর মর্যাদা অনুসারে জার্মানদের তাঁকে “দ্য রাশিয়ান বিচ ফ্রম হেল” বলে চিহ্নিত করা হয়। লাউডস্পিকারে তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে লোভনীয় চকলেট বিতরণ করা হত কখনও কখনও। তিনি যুদ্ধের প্রস্তাব সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন কখনও কখনও।
১৯৪২ সালের জুনে তাঁর স্থায়ী ক্ষতবিক্ষত মুখে একটি মর্টার শেল আঘাত করেছিল। কিন্তু এক মাসের মধ্যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাঁর এই মর্মতার জন্য সোভিয়েত সরকার তাঁকে অনুমোদন প্রদান করে প্রচারণার কাজে তোলেন। তিনি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন প্রথম সোভিয়েত নাগরিক হিসেবে। এখানে তাঁর বন্ধুত্ব জন্ম নেয় প্রথম লেডি এলিনর রুজভেল্টের সাথে।
১৯৪৫ সালে যুদ্ধের শেষে তিনি কিয়ে
