National

ক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা দেড় দশকে বেড়ে ৯ গুণ

ক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা দেড় দশকে বেড়ে ৯ গুণ

বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতীক হিসেবে চার্জের সমস্যা

ক য প স ট চ র – বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি চার্জ বিস্তারিত আলোচনার সূত্রে সরকারের ওপর বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়েছে। অনেকে এ ব্যবস্থাকে লুটপাটের হাতিয়ার বলছেন। আগে বিদ্যুৎ উৎপাদনে লাভ ছিল না কিন্তু এখন ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে বেশি। পর্যবেক্ষকদের মতে, চার্জের কারণে ক্ষতি হচ্ছে বিদ্যুত উৎপাদন সক্ষমতার দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২৩ সালের নভেম্বরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সংসদে বলেন, আগের ১৪ বছরে ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে সরকার মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা খরচ করেছে। এ বিষয়টি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। এখন আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এই চুক্তি পর্যালোচনা করা যাচ্ছে না। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে এবং অনুকূল মতামত পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিদ্যুৎ সুবিধা বৃদ্ধির পরও চাহিদা বেড়ে নির্দিষ্ট সংখ্যায় থাকছে

দেশে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতা দেড় দশকে বেড়ে চলেছে কিন্তু শতভাগ এলাকার প্রয়োজন বৃদ্ধি হয় নি। বর্তমানে দেশে সরকারি ও বেসরকারি মোট ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে যেগুলো মোট ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। তবে চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হয় নি।

গড়ে দৈনিক ১২ হাজার মেগাওয়াট হারে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন তৈরি হয়েছে সেটি ব্যবস্থার চার্জ থেকে বুঝা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বেসরকারি কেন্দ্রগুলোর উপর ভার দিয়েছিলেন।

সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য চার্জ ছিল না

২০১১-১২ অর্থবছরে বেসরকারি কেন্দ্রগুলোকে ৫ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছিল। কিন্তু সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য ব্যবস্থার বিধান ছিল না। বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বিদ্যুতের উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় এ চার্জ বাবদ বেশি টাকা খরচ হয়।

২০১৯-২০ অর্থবছরে চার্জ বাবদ ইউনিটপ্রতি টাকা ২ টাকা ৮৫ পয়সা হয়েছিল। পরের বছ

Leave a Comment