বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রযুক্তি সমৃদ্ধ প্রাণীয় গোলাপে বাড়িয়ে ফেলেছে
খেলোয়াড়দের বিশেষ ভেস্টের মাধ্যমে ফিটনেস পর্যবেক্ষণ
ব শ বক প ব র জ – বিশ্বকাপে ব্রাজিল তাদের শিল্প প্রতিযোগিতায় বৃহত্তর সাফল্য অর্জন করার জন্য আধুনিক টেকনোলজির ব্যবহারে বড় ভারি বিপ্লব ঘটিয়েছে। গত পাঁচটি বিশ্বকাপে কোনো সাফল্য পাওয়া যায়নি কিন্তু এবার তাদের ব্যবস্থা এবং চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। খেলোয়াড়দের জার্সি নিচে সেন্সরযুক্ত ভেস্ট পরার মাধ্যমে স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংগ্রহ করে থাকে। এ ভেস্টগুলো অনেকটা স্পোর্টস ব্রা-এর মতো দেখতে এবং সেন্সর দিয়ে গতি, হার্ট রেট, ক্লান্তি এবং ইনজুরি রিকভারি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
ব্রাজিলের তারকারা বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশে খেলুন। গুইলহার্ম পাসোস এবং তাঁর দল স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ ক্লাব ফুটবল বিভাগে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে। ডেটা কেন্দ্রীয় ডেটাবেইসে সঞ্চিত হয়ে কোচ হাজার মাইল দূরে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখতে সাহায্য করে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি নিয়ে চিন্তা করতে এই ডেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
তবে প্রযুক্তির বিপ্লবের মাঝেও ব্রাজিলের মূল শক্তি হলো মানুষের বিচারবুদ্ধি। আমরা ডেটা বিশ্লেষণ করে মাঠে প্রয়োগ করার জন্য বিশেষজ্ঞ মানুষের সিদ্ধান্তই আসল পার্থক্য গড়ে দেয়।
অ্যাই-চালিত সহায়তা প্রযুক্তির সাহায্যে কৌশলগত সিদ্ধান্ত
বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ চলাকালীন ট্রেকিং ব্যবস্থা সংগঠিত করে ফিফা ও লেনোভো। এআই প্রো মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি ডেটা বিশ্লেষণ করে কোচ ও খেলোয়াড়দের ফিডব্যাক দেবে। সংখ্যার বিচারে এক খেলোয়াড় পুরো ম্যাচে মাত্র ৬ কিলোমিটার দৌড়েছেন বলে বিশ্বাস করা যায়। যদিও অন্যরা তাঁর দ্বিগুণ দূরত্ব অতিক্রম করেছেন, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় তিনি সব সময় মাঠের নিখুঁত ট্যাকটিক্যাল পজিশনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
অনেক সময় দুর্দান্ত শারীরিক ডেটা থাকার সত্ত্বেও একজন খেলোয়াড় কোচ দলে না-ও রাখতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তিনি টেকনিক্যাল বা মেন্টাল দিক থেকে খেলার ধরনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। ফুটবল কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয় যে বেশি দৌড়ালেই ভালো খেলা হবে। মানসিকতা ও মনস্তত্ত্বের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে খেলার প্রক্রিয়ায়।
২৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে এই প্রযুক্তি স
