বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি: পুকুর লিজ ও মালপত্র বিক্রি ঘটনা সম্পর্কে অভিযোগ
ব ল দ শ প ল শ – রাজশাহী সারদা এলাকায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নিয়ম ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে, কিন্তু এবার তা মানা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন, কাছের লোকদের কাছে পুকুর লিজ ও মালপত্র বিক্রি করা হয়েছে। প্রতিযোগিতাপূর্ণ ইজারা প্রক্রিয়ার বিষয়টি ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছিল, কিন্তু এবার তা হয়নি।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী গত কয়েকদিন ধরে তিনটি পুকুরের লিজ দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর একটি একাডেমির চিমনি হলের দক্ষিণে অবস্থিত, আয়তন প্রায় ১০ বিঘা। অন্য দুটি পুকুর ক্যানটিনের পূর্ব পাশে ও এসপি কোয়ার্টারের পশ্চিমে অবস্থিত। দুই বছরের জন্য তিনটি পুকুর লিজ দেওয়া হয়েছে মোট ১৪ লাখ টাকায়।
মালপত্র বিক্রি ও পুকুর লিজের প্রক্রিয়া
পুলিশ একাডেমির মোট পুরোনো মালপত্র বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ২৪ হাজার টাকায়। এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, কোনো বিজ্ঞপ্তি ছাড়া গোপনে জিনিস বিক্রি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আগে কোনো দিন এভাবে গোপনে জিনিস বিক্রি করা হয়নি। এবার আমরা কিছুই জানতে পারিনি। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি নাই, এলাকায় মাইকিং নাই, পরে শুনছি মালপত্র বিক্রি হয়ে গেছে।”
বিক্রি করা মালপত্রগুলো পুরোনো টিনসহ অন্যান্য জিনিস। স্থানীয় বাসিন্দারা একজন ভাঙারি ব্যবসায়ীকে ধরেছিলেন কাগজপত্র ছাড়া এগুলো কিনে নিয়েছেন। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যক্তি ওই ব্যবসায়ীর নাম জানতে চান। তিনি নিজের নাম দেন বিশাল।
মালপত্র বিক্রি ও পুকুর লিজের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন একাডেমির এএসপি সুব্রত ব্যানার্জি ও ড্রাফটম্যান এ কে এম রফিকুল হাসান রাকিব। কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল কি না জানতে চাইলে প্রধান সহকারী আতিকুর রহমান বলেন, “আমাকে একটু খোঁজ নিতে হবে। খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।” পরে তিনি আর কল রিসিভ করেননি।
“বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি, কিন্তু আমরা কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেছি। তারপর যিনি বেশি টাকা দিতে চেয়েছেন, তাঁকে দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো অনিয�
