National

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়া: তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

গ ম প রত র ধ আইন – গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব এখন কমিশনের হাত থেকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এই খসড়া আইন প্রস্তাব করেছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুম অভিযোগ তদন্ত করার ক্ষমতা পুলিশকে দেওয়া হয়েছে।

আইনজ্ঞরা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা হয়েছিল গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ যেখানে গুমের ঘটনার তদন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হাতে দেওয়া ছিল। কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করলে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকতে পারে। এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বিভিন্ন বাহিনীর হাতে অনেক মানুষের গুম অভিযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাব্ব ও ডিজিএফআই এর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ চলছে। আয়নাঘর আবিষ্কার হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকার চলতি বছরের জানুয়ারিতে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করে। কিন্তু বিল উত্থাপন না হওয়ায় ওই অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যায়। আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তদন্তের প্রস্তাব দেওয়ার মতামত দেয়। তার পর থেকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন করতে খসড়া প্রস্তুত করা হয়।

নতুন আইনের খসড়া অনুযায়ী, গুমের অভিযোগ গ্রহণ করবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বা ওসি কর্মকর্তাদের। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তের বিধান রয়েছে। নতুন খসড়ার ১৯ ধারা অনুযায়ী বিচার হবে দায়রা জজ আদালতে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, নতুন আইনের এসব বিধান হচ্ছে আমলাদের বা পুলিশের ক্ষমতা বাড়ানোর একটি বাহানা। গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা মানবাধিকার কমিশন বা স্বাধী

Leave a Comment