National

১৫০ হাজির লাগেজ চুরির অভিযোগ: সত্যতা পায়নি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

১৫০ হাজির লাগেজ চুরির অভিযোগ: সত্যতা পায়নি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

১৫০ হ জ র ল গ জ – গত সপ্তাহে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগ অনুযায়ী, হজ ফ্লাইটের প্রায় ১৫০ হাজির লাগেজ কেটে মালামাল চুরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ঘোষণা করেছে যে, সরবরাহকারী এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানের পরিণতি অনুযায়ী চুরি বা অবৈধ হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের প্রাথমিক বিশ্লেষণ

২ জুন সকালে জেদ্দা থেকে ৪১৯ জন হাজি ঢাকায় নিয়ে আসা বিশেষ হজ ফ্লাইট ‘BG-3104’ গত রাতে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস অনুযায়ী, ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরে নামানোর পর মাত্র ১৩ মিনিটে প্রথম ব্যাগ ডেলিভারি করা হয়। রাত ৩টা ৫১ মিনিটে মোট ৮৩৬টি লাগেজ যাত্রীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিমান বাংলাদেশ এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করে।

বিমান বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, প্রায় ২১টি ব্যাগ আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। তবে ঢাকায় যাত্রীদের লাগেজ কাটাকাটি, চুরি বা মিসহ্যান্ডলিংয়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যাত্রীদের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু ব্যাগে জমজমের পানি, শ্যাম্পু, লোশন এবং খেজুর ছিল। কোনো যাত্রী মূল্যবান জিনিস হারানোর লিখিত অভিযোগ দেননি।

সৌদি আরবের নিয়ম ও বিমান পরিবহন প্রক্রিয়া

বিমান বাংলাদেশের মহাব্যবস্থাপক শাহ্‌নূর আহমাদ বলেন, সৌদি আরবের বিধি অনুযায়ী চেক-ইন লাগেজে জমজমের পানি বা সঠিকভাবে সিল না করা তরল সামগ্রী বহন করা নিষিদ্ধ। স্ক্যানিংয়ের সময় এসব সামগ্রী ধরা পড়লে সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার স্বার্থে লাগেজ খুলে বা কেটে নিষিদ্ধ সামগ্রী জব্দ করতে পারে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) নিয়মে চেক-ইন লাগেজে নগদ অর্থ বা মানিব্যাগ বহন করা সম্পূর্ণ নিরুৎসাহিত করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার রেকর্ড এবং সৌদি আরবের সিভিল অ্যাভিয়েশন জেনারেল অথোরিটি (জিএসিএ) নির্দেশনা পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিমান থেকে নামানোর পর ইউএলডি থেকে বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত লাগেজে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, কিছু ব্যাগ জেদ্দা থেকেই কাটা বা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় ঢাকায় এসেছে।

তদন্তে আরও জানা যায় যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা ছিল ১৫০

Leave a Comment