অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ের পথে বাংলাদেশের শুরুটা
ব শ বক প অস ট র – নেস্তোরি ইরানকুন্দে বাংলাদেশের বিপক্ষে ফুটবল ম্যাচে প্রথম আন্তর্জাতিক স্বাক্ষর হয়েছিল স্পোর্টস এলিট বিশ্বকাপে। এই ক্রীড়াবিদের যাত্রা শুরু হয়েছিল তানজানিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় কিগোমার একটি শরণার্থী শিবিরে। সেখান থেকে একটি বিশ্ব ফুটবল আসরে তাঁর ইতিহাস গড়া হয়েছিল।
২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই বাচ্চাকে বিশ্ব ফুটবল সংসারে প্রবেশ করানো হয়। এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে তাঁর স্বাক্ষর হয়েছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। অ্যাডিলেডে বসবাস শুরু করার পর শিশু থেকে স্থানীয় ক্লাবগুলোতে মাঠে নামেন তিনি। যোগ দেন অ্যাডিলেড ইউনাইটেডের একাডেমিতে যেখানে তাঁর স্বাক্ষর প্রতিভা অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়া বিশ্বে বিস্তার লাভ করে।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে তাঁর ফুটবল যাত্রা সূচিত হয় মাত্র ১৫ বছর বয়সে। দ্রুত গতি, উৎসাহ ও প্রতিভার সামগ্রী ছিল তাঁর প্রাপ্তির কারণ। স্থানীয় ক্লাবের খেলায় অস্ট্রেলিয়ান ক্লাবগুলো তাঁকে নজর কাড়তে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখ তাঁর প্রতিভার মূল্যায়ন করে তাঁকে দলে ভেড়ায়।
বিশ্বকাপ ম্যাচে তুরস্কের বিপক্ষে তাঁর প্রদর্শন স্পষ্ট করে তুলে দেয় তাঁর ক্যারিয়ারের বৃহত্তর পদক্ষেপ। ম্যাচের ২৭তম মিনিটে বাম পায়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেন তিনি। পরে ডান পায়ে নিখুঁত শটে গোল করেন এবং অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হন তিনি।
“এই ফুটবলারের রয়েছে বিস্ফোরক গতি, দুর্দান্ত শারীরিক শক্তি, তীক্ষ্ণ কারিগরি দক্ষতা, ড্রিবলিংয়ে নির্ভীক মানসিকতা এবং খেলার প্রতি সহজাত উপলব্ধি। তবে তাঁর সবচেয়ে বিস্ময়কর গুণ হলো ডান পা, যা অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলে আগে কখনো দেখা যায়নি বললেও বেশি বলা হবে না।”
অস্ট্রেলিয়া তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে। ইরানকুন্দার পারফরম্যান্স সেই সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়নের প্রমাণ হয়ে ওঠে। তিনি সেখানে নিজের ক্রীড়া ক্ষমতা স্পষ্ট করে তুলে দেন।
