উত্তরবঙ্গের মানুষ স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ন্যূনতম অধিকার পায়নি
শিল্পকলা একাডেমিতে সুধী সমাবেশে মন্তব্য
উত তরবঙ গ র ম ন ষ – বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশে অংশ নেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উত্তরবঙ্গের মানুষের অধিকার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষ কোনও ন্যূনতম অধিকার অর্জন করতে পারেনি। তিনি তাঁর অভিযোগে এটি স্বীকার করেন যে, স্বাধীনতার পর থেকে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবন বিশেষ করে কৃষি এবং জল সংকট কারণে পরিবর্তন হয়নি। এই সমস্যা থেকে উত্তরবঙ্গের মানুষ সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়েছেন।
পূর্বের বিশ্বাস ও পরিবর্তন
শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষ স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বীকৃত স্বাধীনতা ও পরিকল্পনাগুলো সবার জন্য অবিলম্বে কার্যকর হয়নি। বিশেষ করে প্রতিটি সরকার উত্তরবঙ্গের বিশেষ প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ আইন বা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কিন্তু সেগুলো কার্যকর হয়নি। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে জেলা পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা এলাকার সাথে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সম্পর্ক ছিল একটি বিশেষ সামাজিক কাজ। কিন্তু তাঁর কার্যক্রম সবার জন্য একটি অবকাঠামো তৈরি করতে পারেনি।
নদী সংকট ও কৃষি দুর্ভোগের চিত্র
‘নদীগুলো একসময় রহমত ছিল, কিন্তু এখন মানুষের দুঃখের কারণ হয়েছে। বছরের পর বছর পলি ও বালু জমে নদীগুলো মরুভূমি হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে পানি ধারণ করার ক্ষমতা নেই। ফলে বর্ষায় নদীর দুই পাড় ভাঙতে থাকে। হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি ও স্বপ্ন বালুর সঙ্গে মিশে যায়।’ এই মন্তব্যে উত্তরবঙ্গের মানুষের মুখে নদী সংকটের প্রতিশ্রুতি বোঝা যায়। তিস্তা বেষ্টিত এলাকার মানুষ বারবার জলাভূমি হওয়া কারণে তাদের কৃষি ও জীবনযাপনের জন্য সংকট দেখা দেয়। কৃষি দুর্ভোগ ছাড়াও প্রতিটি বছর বিপাকে এই অঞ্চলের মানুষের ক্ষুধা এবং মুখে স্বাধীনতার চিত্র দেখা যায়।
অভিযোগ ও সমাধানের দাবি
শফিকুর রহমান এটি অভিযোগ করেন যে, বর্তমান সরকারের দ্বারা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য কোনও বিশেষ প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, রাজধানী থেকে যত দূরে এলাকা, তত বেশি অধিকার বঞ্চিত হয়। এ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের তাদের সম্পর্কে অবহিত হওয়া সত্ত্বেও কোনও বিশেষ কর্মসূচি বা সুবিধা প্রদান করা হয়নি। তিনি উত্তরবঙ্গের মানুষকে সমাধানের দাবি জানান এবং অনুরূপ কর্মসূচি প্রস্তুত করতে অনুরোধ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, আজকের সময়ে এই অঞ্চলের সমস্যা নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়নি।
বিশেষ করে তিস্তা বেষ্টিত এলাকার সমস্যা
উত্তরবঙ্গের মানুষ স
