বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাবি শাখার স্বাস্থ্য সংকট দ্রুত মোকাবেলা দাবি
ক য় ত ম ত র হল – বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে প্রায় ১২ দিন ধরে পানির মাধ্যমে সংক্রমণ প্রবাহিত হচ্ছে বলে অভিযোগ জানানো হয়েছে। সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে এ বিষয়ে আরও আক্রোশ প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে হল প্রশাসন ও হল সংসদ দুর্নীতির অভিযোগ গোপন রাখার চেষ্টা করছে।
সংগঠনের ঢাবি সভাপতি সামি আব্দুল্লাহ বলেন, গত ৯ মে প্রশাসন কর্তৃক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত অবস্থার সুবিধা হয়নি। ক্যানটিনে খাবারের নমুনা সংগ্রহের পর পর ফিল্টার সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি বলেও অভিযোগ জানানো হয়। আরও তিনটি দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে যা স্বাস্থ্য ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলের বাজেটের স্বচ্ছতা, প্রশাসনের দায়িত্ব পালন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাড়ানোর দাবি রয়েছে।
আমরা অভিযোগ করছি যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রদের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গেলে প্রশাসন ও হল সংসদ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কথা মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। পরিবহন সুবিধা প্রদানে ও জরুরি চিকিৎসা জনাচারে ত্রুটি অবহেলা হচ্ছে।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী শাখার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাত জাহান ইমু, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সাইফ, রাজনৈতিক শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অনির্বাণ মৈত্র, অর্থ সম্পাদক বৈশাখী রিথী, সদস্য মো. ইব্রাহিম ও মুনিয়া আক্তার।
নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সংকট বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে। বমি, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে তিনশ’র বেশি ছাত্র চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। সামি আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন যে হলের নিচতলা কক্ষে সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটুপানি উঠে যায়, যা শিক্ষার অনুপযোগী পরিবেশ গঠনে কারণ হচ্ছে।
সংগঠনটি বলে যে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে নিরাপত্তা ও স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থার অভাব তীব্র হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ফি নেওয়া হলেও অপর্যাপ্ত সেবা প্রদান হচ্ছে বলে অভিযোগ করা
