হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা কমছে না
ট ক ন ন ওয় শ শ – টিকা না নেওয়া শিশুরা হামে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে এমন পরিস্থিতি ময়মনসিংহে চলছে। টিকা প্রদান কর্মসূচি আয়োজনের দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও হামে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা আগের তুলনায় কমছে না। চিকিৎসকদের মতে টিকা গ্রহণ করা না হওয়া শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে, যা পরিবারের আর্থিক ও স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে ঘটছে। কিছু শিশু টিকা পেলেও শারীরিক ক্ষমতা হারিয়ে আবার রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, যা পরিচালনার অভাব বা শিশুদের টিকা না নেওয়ার সমস্যার ফল।
হাম আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে স্থানীয় সংখ্যা বৃদ্ধি
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে প্রতিদিন হামের লক্ষণে গড়ে ২৫-৩০টি শিশু ভর্তি হয়। গত তিন মাসে সদর উপজেলায় ৪১৬ শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৬ জন মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। ত্রিশালে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ১৩৯ এবং মৃত্যু ৩ জন। ফুলপুরে আক্রান্ত হয়েছে ৭৩ শিশু, মৃত্যু ৪ জন। মুক্তাগাছায় ৮৩ শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩ জন মৃত। এই তথ্য শিশুদের টিকা না নেওয়ার পরিণাম স্পষ্ট করে দেখাচ্ছে।
হাম রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদানের কর্মসূচি চালু হওয়ার পর থেকে শিশুদের টিকা না নেওয়ার কারণ হিসেবে পিতামাতার অসচেতনতা এবং কর্তৃপক্ষের প্রচার অসম্পূর্ণ ছিল বলে চিকিৎসকদের মতে। শিশু টিকা না নেওয়া হলে রোগ বিস্তার প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পরিচিতি হয়েছে। এটি সরকারি ও বেসরকারী হাসপাতালের প্রতিবেদনে পরিচিত হয়েছে।
“হামের টিকা প্রদানে আমরা শতভাগ সফল। তবে যাঁরা একটু অসচেতন তাঁদেরই সমস্যা হয়েছে,” বলেন জেলা ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ফয়সাল আহমেদ। তিনি জানান যে টিকা না নেওয়া শিশুরা পরিবারের আর্থিক বোকামি ও স্বাস্থ্য সংকট ছাড়াও প্রাণ হারাচ্ছে। সরকার কর্মসূচির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সফলতা হলেও সমাজের অনেকে টিকা গ্রহণে বিরত হচ্ছে।
গত শনিবার হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে দেখা গেছে শয্যা না পেয়ে অনেক পরিবার রোগী নিয়ে মেঝেতে রয়েছেন। শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম মাওলা জানান, ভর্তি শিশুদের ৯৫ শতাংশই টিকা গ্রহণ করেনি। তিনি জানান যে টিকা না নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে পরিবারের ভুল ও পরিচালনার অভাব ছাড়াও রোগের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশু টিকা বিভাগের সম্পূর্ণ কাজ করা হয়েছে কিনা তা পরিচালনা কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে দেখাচ্ছেন।
সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এইচ কে দেবনাথ বলেন, “নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হামের টিকার লক্ষ্যমাত্রার বেশি দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের টিকা নিতে কিছুটা অনীহা ছিল। আমাদের প্রচারণার কোনো ঘাটতি ছিল না।” তিনি আরও বলেন যে
