সুন্দরবনে ভারতগামী পাঁচটি ট্রলারে ডাকাতির চেষ্টা, গুলি ও লুটপাট
স ন দরবন ভ রতগ ম ৫ – গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে সুন্দরবনের শিবসা নদী পেরিয়ে শিংয়েরনালা এলাকায় ভারতে যাওয়া পাঁচটি ট্রলারে ডাকাতের দলের হানা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো হলো এমভি খারেহেরা, এমভি বয়রাতলা, এমভি আরিয়ান ছালাম, এমভি আব্দুল হাকিম-১ এবং এমভি আব্দুল হাকিম। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্গো জাহাজটি বনদস্যুরা আক্রমণ করে স্টাফদের মারধর করে এবং লুটপাট করেছে।
বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রটোকলের অধীনে ঢাকা থেকে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে সুন্দরবনের শাকবাড়িয়া, বজবজা, আড়ুয়া শিবসা ও শিবসা নদীপথ দিয়ে নৌযানগুলো ভারতে যায়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হয়েও থানা পুলিশ বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জাহাজে প্রবেশ করে গুলি চালানো হয়েছিল
বাংলাদেশ-ভারত নৌ-প্রটোকল কমিটির কার্যকরী সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, সেদিন জাহাজগুলো ভারত থেকে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল ফ্লাইঅ্যাশ আনতে চলছিল। জাহাজগুলো মোংলা দিয়ে ভারতের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। শেখবাড়িয়া থেকে মাত্র আধা ঘণ্টার দূরত্বে থাকার সময় ডাকাত দল হানা দেয়।
‘শিবসা নদী পেরিয়ে শিংয়েরনালা খালের ভেতরে ঢোকার পর ডাকাত দল ধাওয়া করে। সামনে থাকা চারটি জাহাজ এগিয়ে গেলেও সবার পেছনে থাকা এমভি আব্দুল হাকিম-১ এ ডাকাতেরা উঠে পড়ে। জাহাজে উঠেই তারা স্টাফদের অস্ত্রের মুখে বেঁধে ফেলে এবং মারধর করে।’
তিনি আরও বলেন, মাস্টার ব্রিজে গিয়ে অন্তত ১৫টি গুলি করে। ডাকাতেরা মাস্টার কেবিনে ঢুকতে না পেরে গেটের দরজায় ১৫ থেকে ২০টি শটগানের গুলি করে। তারা প্রায় ১৫ মিনিট জাহাজে অবস্থান করে। এ সময় স্টাফদের মুঠোফোন, টাকা ও অন্য মালপত্র নিয়ে যায়।
স্ট্রামিকদের নিরাপত্তা চাইছেন সংগঠনের নেতা
নৌযান শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশনের মোংলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এমন ঘটনা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ-ভারত রুটে জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে না। আমরা সরকারের কাছে আমাদের শ্রমিকদের নিরাপত্তা চাই। এমন ঝুঁকি নিয়ে আমরা এই পথে আর চলতে চাই না।’
‘আমাদের জাহাজ জোয়ার-ভাটার হিসাব করে চলতে হয়। এতে সকাল-সন্ধ্যা হতে পারে। নদীতে আমাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। তা না হলে ভা�
