যে কারণে সোহেলের সঙ্গে স্বপ্নারও মৃত্যুদণ্ড
মামলার সারাংশ ও আদালতের রায়
য ক রণ স হ ল র রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় ঘটে একটি ভযংকর ধর্ষণ ও হত্যার মামলার মূল ঘটনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আসামি মো. সোহেল রানা এবং তাঁর স্ত্রী মোছা স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক মাসরু সালেকীন রোববার বিচার প্রক্রিয়ায়।
অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ
আসামি সোহেল রানার জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি শিশুকে বাথরুমে ধর্ষণ করেন এবং মৃত মনে করে তাঁকে গলা কেটে হত্যা করেন। স্বপ্নার জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেননি। তবে ট্রাইব্যুনালের বিবৃতিতে স্বপ্নাকে নিহত শিশুটির ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রমাণ করার আইনি দায়িত্ব ছিল। এ দায়িত্ব স্বপ্না পূরণ করেননি। আদালত নির্ভর করেছে সাক্ষীদের বক্তব্য এবং স্থানীয় তদন্তে প্রমাণ পাওয়া বিষয়গুলির উপর।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলা হয়, সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের ফ্ল্যাট থেকে ভুক্তভোগীর মাথা কাটা লাশ এবং বালতির ভেতর থেকে কাটা মাথা উদ্ধার করার বিষয়টি সাক্ষীদের বক্তব্য দ্বারা প্রমাণিত। য ক রণ স হ ল র মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে যেহেতু স্বপ্না এ অপরাধে প্রত্যক্ষ হাজির ছিলেন।
য ক রণ স হ ল র মামলার বিচারক মাসরু সালেকীন রায় দিয়েছেন যে সোহেল রানা পালানোর জন্য তাঁর স্ত্রীকে সহায়তা করেছেন। অভিযুক্ত সোহেল রানাকে জানালার গ্রিল কেটে পালাতে সহযোগিতা করার বিষয়টি তিনি নিজের জবানবন্দিতে বর্ণনা করেন। য ক রণ স হ ল র পরিস্থিতি অনুসারে স্বপ্না খাতুন ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেন।
আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে স্বপ্না খাতুন লাশ গুম করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁদের ফ্ল্যাটের কাছে একটি ছিদ্র খুঁজে পাওয়া হয়েছিল যেহেতু রাজু সোহেল এলাকার প্রতিবে
