Bangladesh

সর্বস্ব হারিয়ে ফিরছেন সুনামগঞ্জের তরুণেরা

সুনামগঞ্জের তরুণ ভূমধ্যসাগরে নির্যাতনের শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়ে ফিরছেন

সর বস ব হ র য় ফ – তরুণ হাজিরা ভূমধ্যসাগরের ভয়ংকর রুট বেছে নিচ্ছেন স্বপ্নের ইউরোপে পাড়ি জমানোর আশায়। কেউ গন্তব্যে পৌঁছালেও অনেকের স্বপ্ন উত্তাল সাগরের ঢেউয়ে থামে যাচ্ছে। পরিবারের প্রলোভনে লাখ লাখ টাকা বিক্রি করে বিদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এই তরুণদের অনেকে এখন বন্দিদশা ও নির্যাতনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন।

ঘটনার অধিকাংশ চাপা থাকলেও সাগরপথে মৃত্যুর ঘটনায় বিষয়টি সামনে এসেছে

বাংলাদেশের ভূমধ্যসাগরে নিহত তরুণদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি সামনে এসেছে চক্রটির নির্মমতার সাক্ষ্যে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁরাসহ ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়েন সুনামগঞ্জের পাঁচ যুবক। পরে মিসর থেকে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়ার বেনগাজিতে পৌঁছান তারা। সেখানে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়ে ফিরছেন অনেকে।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন রিসোর্স অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টারের সুনামগঞ্জের কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলামের মতে

গত দুই বছরে নির্যাতিত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সুনামগঞ্জের ২১৫ জন তরুণ। সাগরপথে মৃত্যু কিংবা মাফিয়া চক্রের নিপীড়নের সংখ্যা অগণিত। আইওএম ও সরকারিভাবে প্রাপ্ত এই সংখ্যা ছাড়া নিজ খরচে বাড়ি ফেরাদের সংখ্যাও অনেক।

নাজিমনগর গ্রামের নুরু মিয়ার দুই ছেলে ইয়াছিন ও জীবন মিয়া এবং আব্দুস শহীদের ছেলে মো. মামুন মিয়া অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এই প্রলোভনে। বাড়ি ছাড়ার আগে তাঁরা দুই ভাইয়ের ১০ লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয় স্থানীয় দালালের হাতে। প্রতারণার শিকার হয়ে অন্য দালালের আস্তানায় গেলে পুলিশ ইয়াছিনকে ধরে নিয়ে বেনগাজির গাম্বুদা জেলে পাঠিয়ে দেয়। এক মাস ১৮ দিন জেলের তিক্ত অভিজ্ঞতা পরিচিত করেছেন ইয়াছিন। জেল থেকে যোগাযোগ করলে আব্বা কইতাছে—জীবনরে ছাড়াইতে মাফিয়া ৩০ লাখ টাকা নিছে।

সোহেল মিয়া ও ভৈরবের মো. নিলয় দালালদের মাধ্যমে লিবিয়া পর্যন্ত যাওয়ার পর প্রতিদিন করা হচ্ছে টর্চারিং। যারা টাকা দিতাছে তারা ছাড়া পাইতাছে। ছুইটা আইতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা খরচ হইছে আমার।

মাফিয়া চক্রের নির্মমতার সাক্ষী হয়েছেন অভিযুক্ত হুমায়ুন। দোয়ারাবাজারের প্রতা�

Leave a Comment