উখিয়া সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ, রোহিঙ্গা যুবকের পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন
উখ য় স ম ন ত স – উখ য় স ম ন ত স এখন আবারও স্থলমাইন বিস্ফোরণের কারণে চরম চৌম্বক হয়ে উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রোহিঙ্গা জাতীয় মো. সালমান (২৭) কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী সীমান্ত এলাকায় আহত হন। তাঁর ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যা দুর্দান্ত আহত্যা হিসেবে ধরা হয়। ঘটনাটি সোমবার সকালে ঘটেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
বিস্ফোরণের স্থান ও সময়
উখ য় স ম ন ত স এখন বালুখালী সীমান্ত এলাকায় গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করছে। বিজিবি ও সীমান্ত সূত্র অনুযায়ী, ঘটনাটি কাটাপাহাড় পোস্টের পাশে ঘটেছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২৫০ গজ দূরে এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে সালমান কী কারণে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গিয়েছিলেন, তা পরিষ্কার হয়নি। বিজিবি সূত্রে খবর, ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করার জন্য তদন্না চলছে।
সীমান্ত সংকট বৃদ্ধির সূত্র
উখ য় স ম ন ত স এ বিস্ফোরণ ঘটার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি আরকান আর্মি গোষ্ঠী সম্পর্কে অস্পষ্টতা ছাড়া বিস্ফোরণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দেড় বছরে উখিয়া সীমান্তে তিন জন মৃত্যু হয়েছে এবং আরও চার জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ সংখ্যা কিন্তু এখন বেশি হয়েছে বলে আরকান আর্মি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর ঘটনাগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিজিবি রাখাইনের সূত্র অনুযায়ী, মিয়ানমারে রাখাইন সরকারি বাহিনী হটে গেলে আরকান আর্মি এলাকা নিয়ন্ত্রণে আসার পর বিস্ফোরণ ক্রমবর্ধমান হয়েছে। সীমান্ত বাসিন্দারা দাবি করেন যে সরকারি বাহিনী থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এ ক্ষেত্রে দায়ী হতে পারে।
এ সময় বিজিবি নিয়ন্ত্রণে সালমান কী কারণে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গিয়েছিলেন সে বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে।
পরিস্থিতি এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া
উখ য় স ম ন ত স ঘটনার পর সালমানকে কুতুপালং অবস্থান করা এমএসএফ হাসপাতালে প্রথমে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকদের দাবি, তাঁর গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঘটনার সময় কোন অন্য আহত বা মৃত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দেড় বছরে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে পরিসংখ্যান অনুযায়ী অন্তত ৪০ জন রোহিঙ্গা বাসিন্দা গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনা রাখাইনে বাসিন্দাদের মধ্যে বিশেষ করে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে উদ্বেগ জাগিয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটার পর কোন প্রতিক্রিয়া তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি।
উখ য় স ম ন ত স ঘটনার পর বিজিবি তথ্য অনুয
